বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া শনিবার হবিগঞ্জের জনসভায়
আসা মানুষের উদ্দেশ্যে বলেছেন, আপনাদের সিলেটের প্রিয় সন্তান ইলিয়াস আলী। সে
বারবার এমপি নির্বাচিত হয়েছে। জানতে চাই- ইলিয়াস আলী কোথায়? ইলিয়াসকে সরকার
ও তার গোয়েন্দা সংস্থা গুম করেছে। তাকে জীবিত ফেরত চাই।
বিকেলে হবিগঞ্জের সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে (নিউ ফিল্ড) ১৮ দলীয় জোট আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘‘ইলিয়াস আলীর কিছু হলে সরকারের লোকজনকে শাস্তি পেতেই হবে। মনে রাখবেন, আপনারা চিরদিন ক্ষমতায় থাকবেন না। তিনি বলেন, দেশে আজ কেউই নিরাপদ নয়। কেউ গুম হয় রাস্তায় কেউ গুম হয় বাড়িতে।এর আগে শনিবার সকাল সোয়া ১১টায় গুলশানের বাসা থেকে রওনা হয়ে বিকেল চারটায় তিনি হবিগঞ্জে পৌঁছেন। সড়কপথে হবিগঞ্জে আসার পথে ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার নিয়ে দলীয় চেয়ারপারসনকে স্বাগত জানান বিএনপি ও ১৮ দলীয় জোটের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। বেশ কয়েক জায়গায় জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা মানবতা বিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক দলের শীর্ষ নেতাদের মুক্তির দাবিতে শ্লোগান দেয়। নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় পথ সভায় বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জগামী বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা।
খালেদা জিয়ার এই জনসভা ঘিরে পুরো সিলেট বিভাগে জনস্রোত নামে। সিলেটের চারটি জেলা ও পাশ্ববর্তী কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নরসিংদীতে ১৮ জোট নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের দাবি নিয়ে নেতাকর্মীদের গন্তব্য ছিল হবিগঞ্জের নিউ ফিল্ড (সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ)।
সকাল থেকে অঝর বৃষ্টি উপেক্ষা করে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবিওয়ালা ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে মিছিলসহ মাঠে আসতে থাকে জনতা। বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নিখোঁজ জনপ্রিয় নেতা এম ইলিয়াস আলীর সন্ধান দাবি সম্বলিত ব্যানার পোস্টারেরও ছিল আধিক্য। স্বেচ্ছাসেবকদল, ছাত্রদল ও যুবদলের অধিকাংশ ব্যানার ফেস্টুনে ছিল ইলিয়াস আলীর ছবি।
জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সালের সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আববাস, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অব. অলি আহমদ বীরবিক্রম, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক, কল্যান পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অব. সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী, চেয়ারপারনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, এনপিপির সভাপতি শেখ শওকত হোসেন নিলু, এনডিপির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মর্তুজা, পিপলস লীগের চেয়ারম্যান গরীবে নেওয়াজসহ আরো প্রায় বিশজন বিএনপি ও শরিক দলের নেতা।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা, সেলিমা রহমান, দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন ও যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুস সালাম আজাদ।
খালেদা জিয়া তার বক্তৃতা আগামী জাতীয় নির্বাচন পরিচালনায় আবারো নির্দলীয় সরকার দাবি করে বলেন, ‘‘নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি মানা না হলে আন্দোলন শুরু হবে। ঈদের পর আমরা নির্ভয়ে এগিয়ে যাব। তাতে বাধা দিলে পরিণতি হবে কঠিন ও ভয়াবহ।’’
খালেদা জিয়া আরো বলেন, ‘‘বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ নয়। সরকার যা বলে তারাও তাই বলে। তারা টিয়েপাখির মতো আওয়ামীলীগের কথা বলে। এ কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে।’’্য
বিকেলে হবিগঞ্জের সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে (নিউ ফিল্ড) ১৮ দলীয় জোট আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘‘ইলিয়াস আলীর কিছু হলে সরকারের লোকজনকে শাস্তি পেতেই হবে। মনে রাখবেন, আপনারা চিরদিন ক্ষমতায় থাকবেন না। তিনি বলেন, দেশে আজ কেউই নিরাপদ নয়। কেউ গুম হয় রাস্তায় কেউ গুম হয় বাড়িতে।এর আগে শনিবার সকাল সোয়া ১১টায় গুলশানের বাসা থেকে রওনা হয়ে বিকেল চারটায় তিনি হবিগঞ্জে পৌঁছেন। সড়কপথে হবিগঞ্জে আসার পথে ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার নিয়ে দলীয় চেয়ারপারসনকে স্বাগত জানান বিএনপি ও ১৮ দলীয় জোটের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। বেশ কয়েক জায়গায় জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা মানবতা বিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক দলের শীর্ষ নেতাদের মুক্তির দাবিতে শ্লোগান দেয়। নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় পথ সভায় বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জগামী বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা।
খালেদা জিয়ার এই জনসভা ঘিরে পুরো সিলেট বিভাগে জনস্রোত নামে। সিলেটের চারটি জেলা ও পাশ্ববর্তী কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নরসিংদীতে ১৮ জোট নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের দাবি নিয়ে নেতাকর্মীদের গন্তব্য ছিল হবিগঞ্জের নিউ ফিল্ড (সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ)।
সকাল থেকে অঝর বৃষ্টি উপেক্ষা করে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবিওয়ালা ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে মিছিলসহ মাঠে আসতে থাকে জনতা। বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নিখোঁজ জনপ্রিয় নেতা এম ইলিয়াস আলীর সন্ধান দাবি সম্বলিত ব্যানার পোস্টারেরও ছিল আধিক্য। স্বেচ্ছাসেবকদল, ছাত্রদল ও যুবদলের অধিকাংশ ব্যানার ফেস্টুনে ছিল ইলিয়াস আলীর ছবি।
জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সালের সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আববাস, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অব. অলি আহমদ বীরবিক্রম, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক, কল্যান পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অব. সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী, চেয়ারপারনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, এনপিপির সভাপতি শেখ শওকত হোসেন নিলু, এনডিপির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মর্তুজা, পিপলস লীগের চেয়ারম্যান গরীবে নেওয়াজসহ আরো প্রায় বিশজন বিএনপি ও শরিক দলের নেতা।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা, সেলিমা রহমান, দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন ও যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুস সালাম আজাদ।
খালেদা জিয়া তার বক্তৃতা আগামী জাতীয় নির্বাচন পরিচালনায় আবারো নির্দলীয় সরকার দাবি করে বলেন, ‘‘নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি মানা না হলে আন্দোলন শুরু হবে। ঈদের পর আমরা নির্ভয়ে এগিয়ে যাব। তাতে বাধা দিলে পরিণতি হবে কঠিন ও ভয়াবহ।’’
খালেদা জিয়া আরো বলেন, ‘‘বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ নয়। সরকার যা বলে তারাও তাই বলে। তারা টিয়েপাখির মতো আওয়ামীলীগের কথা বলে। এ কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে।’’্য


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন