ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীন ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেনকে রিমান্ডের তৃতীয় দিনের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) শনিবার বেলা ১১টায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়।
রাজধানীর সেগুনবাগিচার দুদকের প্রধান কার্যালয়ের ৫ম তলার ৫২৮ নম্বর কক্ষে রফিকুল আমীন ও মোহাম্মদ হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
দুদকের দায়ের করা অর্থপাচার (মানিলন্ডারিং) সংক্রান্ত ৩৩ নম্বর মামলায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে সূত্র জানায়।
গত বুধবার দুপুরে ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীন ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেনকে দু’টি মামলায় ৯ দিন করে মোট ১৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এরফান উল্লাহ আসামিদের উপস্থিতিতে রফিকুল আমীন ও মোহাম্মদ হোসেনের এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
তবে শর্ত সাপেক্ষে ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান হারুন অর রশিদকে গত বৃহস্পতিবার ২ মাসের জামিন দিয়েছেন বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি ফরিদ আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চ।
এর আগে গত ১১ অক্টোবর ডেসটিনি গ্রুপের শীর্ষ ওই তিন কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে বিচারক তাদের জামিনের আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ওই দিনই দুদক আসামিদের দু’টি মামলায় ১০ দিন করে ২০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে।
এরও আগে ডেসটিনির শীর্ষ ২১ কর্মকর্তার জামিন দিয়েছিলেন ম্যাজিস্ট্রট আদালত।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর ওই জামিন বাতিল করে অবিলম্বে এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে আসামিদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত।
উল্লেখ্য, দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম গত ৩১ জুলাই মামলা দুটি দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেড কর্তৃপক্ষ ডেসটিনি ট্রি প্ল্যানটেশন ও ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মাধ্যমে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে।
কিন্তু বর্তমানে তাদের পৃথক দুটি অ্যাকাউন্টে ৫৬ লাখ ও ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আছে। বাকি তিন হাজার ২৮৫ কোটি টাকা তারা মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন