৩২তম বিসিএস (বিশেষ) লিখিত পরীক্ষার ফলের ব্যাপারে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অকৃতকার্যরা।
তাদের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে এ দাবি জানানো হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী (মুক্তিযোদ্ধার সন্তান) ই-মেইলে এ চিঠি পাঠিয়েছেন।
‘এ পরীক্ষার ফলাফলে কোথাও কোনো অনিয়ম বা ভুল হয়েছে’- এমন দাবি করে চিঠিতে তারা বলেন, “ফলাফল দেখে আমরা বিস্মিত। বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতকরা প্রায় ৯৮ ভাগ শিক্ষার্থী পাস করেন। কিন্তু এবার মাত্র ১০ ভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন, আর ফেলই করেছেন প্রায় ৯০ ভাগ।”
তারা মন্তব্য করেন, “সব মেধাবী শিক্ষাথী এই পরীক্ষা দিতে গিয়ে সবাই একসাথে মেধাহীন হয়ে পড়েছেন-এ বিষয়টি যেমন অবিশ্বাস্য, তেমনি হাস্যকর।”
৩০তম ও ৩১তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা দেয়া অনেক শিক্ষার্থী ৩২তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন- এমনটিও উল্লেখ করা হয়েছে ওই চিঠিতে।
মুক্তিযোদ্ধা কোটা, নারী কোটা ও আদিবাসী কোটায় এক হাজার ৪৮৯টি শূন্য পদে লোক নিয়োগের জন্য গত বছরের ১৯ অক্টোবর ৩২তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এ বছরের ৯ মার্চ এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হয়। ফল প্রকাশিত হয় ২২ মার্চ। এতে পাস করেন ১০ হাজার ৮০৮ জন। পরে ১১ জুন থেকে শুরু হয় লিখিত পরীক্ষা। গত ২৭ সেপ্টেম্বর এ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। তাতে পাস করেন দুই হাজার ৭৮৮ জন।
পিএসসির অভ্যন্তরে থেকে কোনো একটি স্বার্থান্বেষী মহল মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য সচেতনভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছে- এমন দাবি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়, “মহলটি বরাবর অপপ্রচার করার চেষ্টা করছে যে, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের মেধা নেই, তাই কোটায় সিট ফাঁকা থেকে যায়। তারা তাদের এই অপপ্রচারকে সত্য বলে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যই এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে আমাদের ধারণা।”
কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেন, ৩২তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা থেকে উত্তীর্ণরা বেশিরভাগই নারী কোটা ও ঊপজাতি কোটার। কিন্তু নারী কোটা ও ঊপজাতি কোটায় খুবই কম সংখ্যক সিট রয়েছে। ৩২তম বিসিএসে অধিকাংশ সিটই রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা কোটায়। তবুও উত্তীর্ণ করা হয়েছে খুবই কম সংখ্যক পরীক্ষার্থীকে। এর ফলে অধিকাংশ সিটই শূন্য থেকে যাবে।
শিক্ষার্থীরা আরো দাবি করেন, “প্রায় ১১ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্য থেকে ‘মাত্র’ দুই হাজার ৭৮৮ জন পরীক্ষার্থীর পরবর্তী মৌখিক পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ হওয়া বিসিএস পরীক্ষার ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা। এর আগে কোনো বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা থেকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য এত কমসংখ্যক পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়নি।”
এ ঘটনার আড়ালের ‘সত্য অনুসন্ধানের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারকে এই অসম্মানের হাত থেকে রক্ষার জন্য’ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
তাদের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে এ দাবি জানানো হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী (মুক্তিযোদ্ধার সন্তান) ই-মেইলে এ চিঠি পাঠিয়েছেন।
‘এ পরীক্ষার ফলাফলে কোথাও কোনো অনিয়ম বা ভুল হয়েছে’- এমন দাবি করে চিঠিতে তারা বলেন, “ফলাফল দেখে আমরা বিস্মিত। বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতকরা প্রায় ৯৮ ভাগ শিক্ষার্থী পাস করেন। কিন্তু এবার মাত্র ১০ ভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন, আর ফেলই করেছেন প্রায় ৯০ ভাগ।”
তারা মন্তব্য করেন, “সব মেধাবী শিক্ষাথী এই পরীক্ষা দিতে গিয়ে সবাই একসাথে মেধাহীন হয়ে পড়েছেন-এ বিষয়টি যেমন অবিশ্বাস্য, তেমনি হাস্যকর।”
৩০তম ও ৩১তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা দেয়া অনেক শিক্ষার্থী ৩২তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন- এমনটিও উল্লেখ করা হয়েছে ওই চিঠিতে।
মুক্তিযোদ্ধা কোটা, নারী কোটা ও আদিবাসী কোটায় এক হাজার ৪৮৯টি শূন্য পদে লোক নিয়োগের জন্য গত বছরের ১৯ অক্টোবর ৩২তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এ বছরের ৯ মার্চ এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হয়। ফল প্রকাশিত হয় ২২ মার্চ। এতে পাস করেন ১০ হাজার ৮০৮ জন। পরে ১১ জুন থেকে শুরু হয় লিখিত পরীক্ষা। গত ২৭ সেপ্টেম্বর এ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। তাতে পাস করেন দুই হাজার ৭৮৮ জন।
পিএসসির অভ্যন্তরে থেকে কোনো একটি স্বার্থান্বেষী মহল মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য সচেতনভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছে- এমন দাবি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়, “মহলটি বরাবর অপপ্রচার করার চেষ্টা করছে যে, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের মেধা নেই, তাই কোটায় সিট ফাঁকা থেকে যায়। তারা তাদের এই অপপ্রচারকে সত্য বলে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যই এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে আমাদের ধারণা।”
কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেন, ৩২তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা থেকে উত্তীর্ণরা বেশিরভাগই নারী কোটা ও ঊপজাতি কোটার। কিন্তু নারী কোটা ও ঊপজাতি কোটায় খুবই কম সংখ্যক সিট রয়েছে। ৩২তম বিসিএসে অধিকাংশ সিটই রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা কোটায়। তবুও উত্তীর্ণ করা হয়েছে খুবই কম সংখ্যক পরীক্ষার্থীকে। এর ফলে অধিকাংশ সিটই শূন্য থেকে যাবে।
শিক্ষার্থীরা আরো দাবি করেন, “প্রায় ১১ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্য থেকে ‘মাত্র’ দুই হাজার ৭৮৮ জন পরীক্ষার্থীর পরবর্তী মৌখিক পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ হওয়া বিসিএস পরীক্ষার ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা। এর আগে কোনো বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা থেকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য এত কমসংখ্যক পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়নি।”
এ ঘটনার আড়ালের ‘সত্য অনুসন্ধানের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারকে এই অসম্মানের হাত থেকে রক্ষার জন্য’ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন