বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দিল্লি সফর বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট মতবিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে মন্তব্য করেছে ভারত। ভারত বলেছে, এই সফর দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে। ইংরেজি ‘দ্য ডেইলি স্টার’-এর অনলাইন সংস্করণে আজ শুক্রবার এ খবর জানানো হয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সৈয়দ আকবরুদ্দিন আজ নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের বলেন, খালেদা জিয়ার এই সফরকে তাঁরা বাংলাদেশের বিদ্যমান বহুদলভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক নীতির সঙ্গে ভারতের নিবিড় যোগাযোগের অংশ হিসেবে দেখছেন।
গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ আকবরুদ্দিন বলেন, এই সফর দ্বিপক্ষীয় স্বার্থবিষয়ক সব ধরনের বিষয়ে পারস্পরিক দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময়ের এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে ইতিবাচক গতি সঞ্চারের সুযোগ করে দেবে। সফরের সময় কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে খালেদার বৈঠক হবে কি না, সে ব্যাপারে ওই মুখপাত্র কোনো আভাস দেননি। তবে ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম বলেছে, এই দুই নেত্রীর মধ্যে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।
আগামী রোববার খালেদা জিয়ার দিল্লি যাওয়ার কথা। ওই দিনই সেখানে তিনি ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি এবং পরের দিন সোমবার প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাত্ করবেন। এ ছাড়া সে দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম কৃষ্ণা, লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা সুষমা স্বরাজ, জাতীয় প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা শিব শঙ্কর মেনন এবং পররাষ্ট্রসচিব রঞ্জন মাথাইয়ের সঙ্গেও তাঁর দেখা করার কথা রয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে ভারতের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের সঙ্গে ভারতের যেসব চুক্তি হয়েছে, সেগুলো যথাযথভাবে বলবত্ রাখার ওপর জোর দেওয়া হবে।

0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন