রাজধানীর পুরানা পল্টনে বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে পুলিশের বাধার মুখে
পড়েছে ইসলামি ও সমমনা ১২ দলের মিছিল। এ সময় পুলিশ লাঠিপেটা করে। একই সঙ্গে
কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুঁড়ে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ইসলামি ও সমমনা দলের
নেতা-কর্মীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকজন
কর্মীকে আটক করা হয় বলে জানা গেছে।
আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর ইসলামি ও সমমনা ১২ দলের নেতা-কর্মীরা বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট দিয়ে স্লোগান দিতে দিতে মিছিল বের করে। যুক্তরাষ্ট্রে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (স.)-কে হেয় করে নির্মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শন, সরকারের অনৈসলামিক কাজকর্ম, নারীনীতি ও শিক্ষানীতি থেকে ইসলামবিরোধী ধারা বাতিলসহ আট দফা দাবিতে এই মিছিল বের করে ইসলামি দলগুলো।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিছিলটি পল্টন মোড়ে পৌঁছার পর পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করে ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় ইসলামি ও সমমনা ১২ দলের নেতা-কর্মীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে পাল্টা ইটপাটকেল ছোড়ে।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশ বায়তুল মোকাররম, পল্টন মোড়, জিরো পয়েন্ট, জাতীয় প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। পুলিশের দুটি সাঁজোয়া যান ও একটি জলকামান এলাকায় টহল দিচ্ছে।
পুলিশের মতিঝিল অঞ্চলের উপকমিশনার আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ‘জনশৃঙ্খলা রক্ষায় ইসলামি দলগুলোকে মিছিল না করতে অনুরোধ জানিয়েছিলাম। কিন্তু তারা নামাজ শেষ করার আগেই মিছিল নিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে। পরে পুলিশ জানমাল রক্ষায় কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোঁড়ে।’
আনোয়ার হোসেন আরও দাবি করেন, গত মাসের ২২ তারিখে তাঁরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে পুলিশের ওপরে অতর্কিতে হামলা চালায়। তিনি অভিযোগ করেন, ‘বিভিন্ন নামে ইসলামি দল বললেও এর পেছনে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের হাত রয়েছে।’
মতিঝিল জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার মেহেদী হাসান জানান, এই কর্মসূচির ব্যাপারে পুলিশের অনুমতি ছিল না। এ জন্য পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।
ইসলামি ও সমমনা ১২ দলের যুগ্ম সদস্য সচিব আলমগীর মজুমদার দাবি করেন, ‘আমরা এই কর্মসূচির জন্য পুলিশের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছি। এমনকি মিছিল বের করার পরও পুলিশ প্রথমে কোনো বাধা দেয়নি।’ বায়তুল মোকাররম থেকে মিছিলটি দৈনিক বাংলার মোড় পার হওয়ার পর পুলিশ অতর্কিতে লাঠিপেটা করে ও কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
আলমগীর মজুমদার জানান, ‘আমাদের ইচ্ছে ছিল প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করা। এর আগেই পুলিশ নেতা-কর্মীদের পিটিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।’ এটাকে তুঘলকি কাণ্ড দাবি করে আলমগীর মজুমদার বলেন, ‘অনেককে পুলিশ পাহারা দিয়ে মিছিল করায়। আর আমরা অনুমতি নেওয়ার পরও পুলিশ মিছিল করতে দেয়নি।’
আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর ইসলামি ও সমমনা ১২ দলের নেতা-কর্মীরা বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট দিয়ে স্লোগান দিতে দিতে মিছিল বের করে। যুক্তরাষ্ট্রে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (স.)-কে হেয় করে নির্মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শন, সরকারের অনৈসলামিক কাজকর্ম, নারীনীতি ও শিক্ষানীতি থেকে ইসলামবিরোধী ধারা বাতিলসহ আট দফা দাবিতে এই মিছিল বের করে ইসলামি দলগুলো।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিছিলটি পল্টন মোড়ে পৌঁছার পর পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করে ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় ইসলামি ও সমমনা ১২ দলের নেতা-কর্মীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে পাল্টা ইটপাটকেল ছোড়ে।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশ বায়তুল মোকাররম, পল্টন মোড়, জিরো পয়েন্ট, জাতীয় প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। পুলিশের দুটি সাঁজোয়া যান ও একটি জলকামান এলাকায় টহল দিচ্ছে।
পুলিশের মতিঝিল অঞ্চলের উপকমিশনার আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ‘জনশৃঙ্খলা রক্ষায় ইসলামি দলগুলোকে মিছিল না করতে অনুরোধ জানিয়েছিলাম। কিন্তু তারা নামাজ শেষ করার আগেই মিছিল নিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে। পরে পুলিশ জানমাল রক্ষায় কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোঁড়ে।’
আনোয়ার হোসেন আরও দাবি করেন, গত মাসের ২২ তারিখে তাঁরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে পুলিশের ওপরে অতর্কিতে হামলা চালায়। তিনি অভিযোগ করেন, ‘বিভিন্ন নামে ইসলামি দল বললেও এর পেছনে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের হাত রয়েছে।’
মতিঝিল জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার মেহেদী হাসান জানান, এই কর্মসূচির ব্যাপারে পুলিশের অনুমতি ছিল না। এ জন্য পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।
ইসলামি ও সমমনা ১২ দলের যুগ্ম সদস্য সচিব আলমগীর মজুমদার দাবি করেন, ‘আমরা এই কর্মসূচির জন্য পুলিশের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছি। এমনকি মিছিল বের করার পরও পুলিশ প্রথমে কোনো বাধা দেয়নি।’ বায়তুল মোকাররম থেকে মিছিলটি দৈনিক বাংলার মোড় পার হওয়ার পর পুলিশ অতর্কিতে লাঠিপেটা করে ও কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
আলমগীর মজুমদার জানান, ‘আমাদের ইচ্ছে ছিল প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করা। এর আগেই পুলিশ নেতা-কর্মীদের পিটিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।’ এটাকে তুঘলকি কাণ্ড দাবি করে আলমগীর মজুমদার বলেন, ‘অনেককে পুলিশ পাহারা দিয়ে মিছিল করায়। আর আমরা অনুমতি নেওয়ার পরও পুলিশ মিছিল করতে দেয়নি।’


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন