চলতি অক্টোবর মাসেই পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়ন বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের দুটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে আসবে।
মঙ্গলবার সংস্থাটির বাংলাদেশ প্রতিনিধি অ্যালেন গোল্ডস্টেইন এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।
বিবৃতিতে গোল্ডস্টেইন বলেন, ‘সম্প্রতি বিশ্বব্যাংক পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পে নতুন করে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খুব শিগগির বিশ্বব্যাংকের দুটি প্রতিনিধিদল আসবে। পদ্মা সেতুর দুর্নীতি সম্পর্কে বাংলাদেশে তদন্তের অবাধ ও পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নের জন্য আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একটি বৈদেশিক প্যানেল এই প্রতিনিধিদলে থাকবে।”
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘মূল্যায়নের সঙ্গে দ্বিতীয় প্রতিনিধিদলটি সহযোগী দাতাদের সমন্বয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যবস্থা পুনর্নির্ধারণ করবে। এতে দাতাদের ক্রয়প্রক্রিয়া আরো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ সম্ভব হবে। বিশ্বব্যাংক এখন প্রতিনিধিদলের কর্মসূচি সমন্বয় করছে। এ মাসের মধ্যে বাংলাদেশে তাদের স্বাগত জানাব বলে আমরা আশা করি।”
বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও জাপান আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থার (জাইকা) তিনটি ভিন্ন প্রতিনিধিদল সোমবার বাংলাদেশে আসার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তাদের এ সফর বাতিল করা হয়।
দুর্নীতির অভিযোগে গত ২৯ জুন পদ্মা সেতু প্রকল্পের ঋণচুক্তি বাতিল করে বিশ্বব্যাংক। এরপর পদ্মা সেতু প্রকল্পে ঋণ দিতে সরকারকে চারটি শর্ত দেয় বিশ্বব্যাংক। শর্তগুলো পূরণ করলে সংস্থাটি ফিরবে বলে জানায়। সরকার শর্ত পূরণের অঙ্গীকার করলে বিশ্বব্যাংক শেষ পর্যন্ত সেতু প্রকল্পে ফিরে আসার ঘোষণা দেয় গত ২০ সেপ্টেম্বর। ওই দিন এ নিয়ে একটি বিবৃতিও দেয় সংস্থাটি। পরে গত ২৫ সেপ্টেম্বর আরেক বিবৃতিতে বিশ্বব্যাংক জানায়, সরকারের কিছু শীর্ষ ব্যক্তি বিশ্বব্যাংকের ফিরে আসা নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছেন। শর্ত বাস্তবায়ন হলে অর্থায়ন করা হবে বলেও সংস্থাটি বিবৃতিতে জানায়।
মঙ্গলবার সংস্থাটির বাংলাদেশ প্রতিনিধি অ্যালেন গোল্ডস্টেইন এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।
বিবৃতিতে গোল্ডস্টেইন বলেন, ‘সম্প্রতি বিশ্বব্যাংক পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পে নতুন করে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খুব শিগগির বিশ্বব্যাংকের দুটি প্রতিনিধিদল আসবে। পদ্মা সেতুর দুর্নীতি সম্পর্কে বাংলাদেশে তদন্তের অবাধ ও পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নের জন্য আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একটি বৈদেশিক প্যানেল এই প্রতিনিধিদলে থাকবে।”
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘মূল্যায়নের সঙ্গে দ্বিতীয় প্রতিনিধিদলটি সহযোগী দাতাদের সমন্বয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যবস্থা পুনর্নির্ধারণ করবে। এতে দাতাদের ক্রয়প্রক্রিয়া আরো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ সম্ভব হবে। বিশ্বব্যাংক এখন প্রতিনিধিদলের কর্মসূচি সমন্বয় করছে। এ মাসের মধ্যে বাংলাদেশে তাদের স্বাগত জানাব বলে আমরা আশা করি।”
বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও জাপান আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থার (জাইকা) তিনটি ভিন্ন প্রতিনিধিদল সোমবার বাংলাদেশে আসার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তাদের এ সফর বাতিল করা হয়।
দুর্নীতির অভিযোগে গত ২৯ জুন পদ্মা সেতু প্রকল্পের ঋণচুক্তি বাতিল করে বিশ্বব্যাংক। এরপর পদ্মা সেতু প্রকল্পে ঋণ দিতে সরকারকে চারটি শর্ত দেয় বিশ্বব্যাংক। শর্তগুলো পূরণ করলে সংস্থাটি ফিরবে বলে জানায়। সরকার শর্ত পূরণের অঙ্গীকার করলে বিশ্বব্যাংক শেষ পর্যন্ত সেতু প্রকল্পে ফিরে আসার ঘোষণা দেয় গত ২০ সেপ্টেম্বর। ওই দিন এ নিয়ে একটি বিবৃতিও দেয় সংস্থাটি। পরে গত ২৫ সেপ্টেম্বর আরেক বিবৃতিতে বিশ্বব্যাংক জানায়, সরকারের কিছু শীর্ষ ব্যক্তি বিশ্বব্যাংকের ফিরে আসা নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছেন। শর্ত বাস্তবায়ন হলে অর্থায়ন করা হবে বলেও সংস্থাটি বিবৃতিতে জানায়।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন