কুষ্টিয়াসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলায় আজ মঙ্গলবার ভোর থেকে
অনির্দিষ্টকালের জন্য পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়েছে। ১১ দফা দাবিতে
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ এ ধর্মঘটের ডাক
দেয়।
১ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনে এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। পূর্বনির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী আজ ভোর ছয়টা থেকে কুষ্টিয়াসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলায় ধর্মঘট শুরু করেন পরিবহনশ্রমিকেরা। বাকি জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে—খুলনা, যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, মাগুড়া, নড়াইল, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, ভোলা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, বরিশাল, ফরিদপুর, রাজবাড়ি, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর।
কুষ্টিয়া চৌড়হাস বাস টার্মিনাল ও মজমপুর টার্মিনালে সকাল থেকে দূরপাল্লার কোনো পরিবহন সড়কে বের হয়নি। বন্ধ রয়েছে আন্তজেলা পরিবহনগুলোও। এতে স্কুল-কলেজ ও অফিসগামী মানুষেরা বিপাকে পড়েন। সকাল আটটার দিকে মজমপুর এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল বের করেন পরিবহনশ্রমিকেরা। সরেজমিনে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
কুষ্টিয়া বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুর হোসেন জানান, ১১ দফা দাবির মধ্যে কয়েকটি দাবি হলো—দুর্ঘটনাকবলিত বাস-ট্রাক ভাঙচুর ও আগুন দিয়ে পোড়ানো বন্ধ করা; নছিমন-করিমনসহ ইজিবাইক চলাচল বন্ধ করা; প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে গণ-পরিবহনের মতো যাত্রী বহন নিষিদ্ধ করা; দুর্ঘটনাকবলিত বাস ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মালিকের কাছে ফেরত দেওয়া; এক মাসের মধ্যে নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন করা।
১ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনে এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। পূর্বনির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী আজ ভোর ছয়টা থেকে কুষ্টিয়াসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলায় ধর্মঘট শুরু করেন পরিবহনশ্রমিকেরা। বাকি জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে—খুলনা, যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, মাগুড়া, নড়াইল, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, ভোলা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, বরিশাল, ফরিদপুর, রাজবাড়ি, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর।
কুষ্টিয়া চৌড়হাস বাস টার্মিনাল ও মজমপুর টার্মিনালে সকাল থেকে দূরপাল্লার কোনো পরিবহন সড়কে বের হয়নি। বন্ধ রয়েছে আন্তজেলা পরিবহনগুলোও। এতে স্কুল-কলেজ ও অফিসগামী মানুষেরা বিপাকে পড়েন। সকাল আটটার দিকে মজমপুর এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল বের করেন পরিবহনশ্রমিকেরা। সরেজমিনে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
কুষ্টিয়া বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুর হোসেন জানান, ১১ দফা দাবির মধ্যে কয়েকটি দাবি হলো—দুর্ঘটনাকবলিত বাস-ট্রাক ভাঙচুর ও আগুন দিয়ে পোড়ানো বন্ধ করা; নছিমন-করিমনসহ ইজিবাইক চলাচল বন্ধ করা; প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে গণ-পরিবহনের মতো যাত্রী বহন নিষিদ্ধ করা; দুর্ঘটনাকবলিত বাস ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মালিকের কাছে ফেরত দেওয়া; এক মাসের মধ্যে নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন করা।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন