সফররত বাংলাদেশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনির সঙ্গে বৈঠকে আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম জে বার্নস জোর দিয়েছেন গ্রামীণ ব্যাংক ও অন্যান্য সুশাসন ইস্যুর ওপর। ওয়াশিংটনে স্থানীয় সময় বুধবার এক ঘন্টাব্যাপী বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন দুই মন্ত্রী।
বৈঠকে গ্রামীণ ব্যাংক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বার্নস বলেন, আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত বাণিজ্য ও বিনিয়োগ-সহযোগিতা রুপরেখা চুক্তি (টিকফা) সই হলে দেশটির বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্ক কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও ঢাকায় অবস্থিত আমেরিকার দূতাবাসের পৃথক দুটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এসব তথ্য জানানো হয়।
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আমেকিরায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের, আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রবার্ট ও’ব্লেকসহ দুই দেশের জ্যেষ্ঠ কয়েকজন কর্মকর্তা।
আমেরিকার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বার্নস বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সক্রিয় সুশীল সমাজ ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করেন।
এর প্রেক্ষিতে গ্রামীণ ব্যাংক সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকারের অবস্থান বার্নসকে ব্যাখ্যা করেন দীপু মনি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নোবেল বিজয়ী প্রতিষ্ঠানটির অনেক নারী ঋণগ্রহীতার স্বার্থ সংরক্ষণে বদ্ধপরিকর। গ্রামীণ ব্যাংক বর্তমানে সংস্থাটির আইন ও বিধি অনুসারে পরিচালিত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে দীপু মনি বলেন, আমেরিকার বাজারে শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার বাংলাদেশসহ এশিয়ার স্বল্পোন্নত দেশগুলোর বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
জবাবে বার্নস বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টিকফা চুক্তিটি দ্রুত সম্পাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, এ চুক্তির আওতায় আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের উচ্চশুল্ক হারের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা সম্ভব হতে পারে।
এছাড়া মাসের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ-আমেরিকা অংশীদারি সংলাপের সফলতার ব্যাপারেও জোর আশাবাদ ব্যক্ত করেন দুই মন্ত্রী।
তিন দিনের সফর শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি বৃহস্পতিবার কাতারের দোহা হয়ে চীন যাবেন।
বৈঠকে গ্রামীণ ব্যাংক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বার্নস বলেন, আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত বাণিজ্য ও বিনিয়োগ-সহযোগিতা রুপরেখা চুক্তি (টিকফা) সই হলে দেশটির বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্ক কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও ঢাকায় অবস্থিত আমেরিকার দূতাবাসের পৃথক দুটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এসব তথ্য জানানো হয়।
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আমেকিরায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের, আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রবার্ট ও’ব্লেকসহ দুই দেশের জ্যেষ্ঠ কয়েকজন কর্মকর্তা।
আমেরিকার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বার্নস বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সক্রিয় সুশীল সমাজ ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করেন।
এর প্রেক্ষিতে গ্রামীণ ব্যাংক সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকারের অবস্থান বার্নসকে ব্যাখ্যা করেন দীপু মনি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নোবেল বিজয়ী প্রতিষ্ঠানটির অনেক নারী ঋণগ্রহীতার স্বার্থ সংরক্ষণে বদ্ধপরিকর। গ্রামীণ ব্যাংক বর্তমানে সংস্থাটির আইন ও বিধি অনুসারে পরিচালিত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে দীপু মনি বলেন, আমেরিকার বাজারে শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার বাংলাদেশসহ এশিয়ার স্বল্পোন্নত দেশগুলোর বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
জবাবে বার্নস বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টিকফা চুক্তিটি দ্রুত সম্পাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, এ চুক্তির আওতায় আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের উচ্চশুল্ক হারের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা সম্ভব হতে পারে।
এছাড়া মাসের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ-আমেরিকা অংশীদারি সংলাপের সফলতার ব্যাপারেও জোর আশাবাদ ব্যক্ত করেন দুই মন্ত্রী।
তিন দিনের সফর শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি বৃহস্পতিবার কাতারের দোহা হয়ে চীন যাবেন।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন