ডুমুরিয়া (খুলনা)প্রতিনিধিঃ
ডুমুরিয়া রংপুর কালিতলা মাতৃ মন্দিরে সোমবার রাতে র্দূবিত্তরাদূর্গা প্রতিমা ভাংচুর
করেছে। প্রতিমা ভংচুরের ঘটনায় এলাকাবাসিক্ষোভ ও উত্তেজনায় ফেটে পড়েছে। মন্দির কমিটি ও এলাকাবাসী সূত্রে জনা যায়>বাঙ্গালীর ঐতিহ্যের পূজা শারদীয় দূর্গোৎসব আসন্ন দূর্গাপূজা উৎসবে ডুমুরিয়া কালিতলা মাতৃ
মন্দিরে সাড়ংবরের সহিত প্রতিমা নির্মাণ
কাজ উৎসবের আমেজ চলছিল, সোমবার গভির রাতে কে বা কাহারা ঐ প্রতিমা ভংচুর করে বলে সন্দেহ করে। এ ঘটনায় নব র্নিবাচিত পূজা উদযাপন কমিটি ও এলাকাবাসি ক্ষোভ ফেটে পড়ে।এলাকাবাসি ও মন্দির কমিটির সভাপতি উত্তম মন্ডল বলেন; একটি পক্ষ এবারপূজা কমিটি থেকে বাদ পড়ার প্রতি হিংসায় প্রতিমা ভাংচুর করতে পারেমর্মে
অভিযোগ করেন। প্রকৃত পক্ষে কাচা মাটির তৈরী প্রতিমা চিকুন সুতায় বাধার কারনে ভারসাম্য রক্ষা করতে না পারায় ছিড়ে গিয়ে মাটিতে ধ্বসে পড়ে। এ ঘটনায় ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মশিউর রহমান ও তদন্ত কেন্দ্রের অফিসার আমজাদ হোসেন তাৎক্ষনিক ভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন
করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘটন করেন, যে সুতার ক্ষমতায় কাচামাটির তৈরী প্রতিমার ভারসাম্য রক্ষা করতে না পারায় ছিড়ে পড়ে। যে কারনে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে দায়ী করার চেষ্টা চালায়। কমিটির সম্পাদক বিবেক মন্ডল বলেন; যে বা যারা এই নেক্যারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে তারা বিবেকহীন মানুষ। এ বিষয়ে কালিতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি
অশোক ঘরামী বলেন; বিবাদ মান দ্বিধা বিভক্ত দু’টি পক্ষের সাথে দির্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ বার দূর্গা পূজায় একটি পক্ষ পূজা কমিটিথেকে বাদ পড়ার কারনে
এ ঘটনা ঘটাতে পারেন বলে অপর পক্ষকে দায়ী করার চেষ্টা করলে প্রকৃত ঘটনা পুলিশে উপস্থিতিতে প্রমাণিত হয়। অপর এক
প্রশ্নের জবাবে বলেন; রাজনৈতিক বিরোধ বা সামপ্রদায়িক দাঙ্গার জের ধরে কোন ঘটনা ঘটেনি। আমরা হিন্দু মুসলিম শান্তিপূর্ণ ভাবে পরস্পর সহাবস্থানে বসবাস করি। আমাদের মধ্যে কোন সামপ্রদায়িক
বিরোধ নাই।

0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন