![]() |
| মাহফুজুর রহমান |
সোমবার ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ফজলে এলাহী ভূইঞা এ নির্দেশ দেন। মাহফুজুর রহমানের পক্ষে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক আদালতে এ মামলাটি শুনানি করেন।
তবে নিহত সাংবাদিক দম্পতি- এটিএন বাংলার সাবেক সাংবাদিক রুনি ও মাছরাঙা টেলিভিশনের সারওয়ারের খুনি’র গ্রেফতারের দাবিতে সাংবাদিকদের ডাকা ১৬ সেপ্টেম্বরের সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে মাহফুজুরের আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে ঢাকার আদালত।
মূল মামলায় জাতীয় প্রেস ক্লাব ও সাংবাদিকদের ছয়টি সংগঠনের নেতাসহ মোট ৫৯ জন সাংবাদিককে বিবাদী করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট আদালতের পেশকার আতাউর রহমান বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান।
মামলায় বিবাদী ৫৯ জনকে আগামী ২৯ নভেম্বর আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারির নির্দেশ দিয়েছে আদালত। জাতীয় প্রেস ক্লাব, ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটি, সাংবাদিক নেতা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, রুহুল আমীন গাজী, আব্দুল জলিল ভুইয়া, শাবান মাহমুদ, মোহাম্মদ আব্দুস শহীদ, মো. বাকের হোসেন সহ সব পত্রিকার সম্পাদক এবং সকল চ্যানেলের প্রধানদের এ মামলায় বিবাদী করা হয়েছে।
গত ৫ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির খুনিকে গ্রেফতারে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেধে দিয়ে পরদিন থেকে সারা দেশে বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকি দেয় সাংবাদিকদের কয়েকটি সংগঠন।
এসব দাবি আদায়ে ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় প্রেসক্লাবের সামনে সাংবাদিকদের সমাবেশের ডাক দেয় সংগঠনগুলো।
এছাড়া সাগর-রুনি হত্যাকান্ডে ‘জড়িত’ থাকার অভিযোগে এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানের গ্রেফতারের দাবিতে ১৬ সেপ্টেম্বর এটিএন বাংলার সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। প্রথমে গোয়েন্দা পুলিশ এ হত্যাকান্ডের তদন্ত চালায়। কিন্তু দুই মাসের তদন্তে কোনো ফল না আসায় গত এপ্রিলে র্যাবকে তদন্তের দায়িত দেয় হাই কোর্ট বিভাগ। র্যাব বিগত সময়ে সাগর রুনির ডিএনএ টেস্টের রেজাল্ট পেয়েছে এবং মামলার তদন্তে অগ্রগতি আছে বলে উল্লেখ করলেও কার্যত কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে সাংবাদিক নেতাগণ এ আন্দোলনের ডাক দেয়।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন