তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের মাধ্যমে সরকার ক্ষমতা কুক্ষিগত করার দিকে এগুচ্ছে বলে মনে করছে ১৮ দলীয় জোট।
আর তাই নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন না দিয়ে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করার চেষ্টা করা হলে ১৮ দলীয় জোট একদফা আন্দোলনে যাবে। আর তা হবে সরকার পতনের একদফা আন্দোলন।
রায় ঘোষণার ১৬ মাস পর রোববার রাতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে দেওয়া সুপ্রিম কোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়। রায় প্রকাশ করার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, “আমরা পূর্ণাঙ্গ রায় পূর্ণাঙ্গভাবে দেখার পর সিদ্ধান্ত নেব।”
তিনি বলেন, “পূর্ণাঙ্গ রায়ে আরো দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে করার কথা উল্লেখ আছে। সরকার যদি এই রায় পাশ কাটিয়ে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে চায়, তবে আমরা একদফার আন্দোলনে যাবো। আর সেই আন্দোলন হবে সরকার পতনের আন্দোলন।”
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অ্যাড. খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, “সরকার তড়িঘড়ি করে যে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করতে চেয়েছিল, সে ক্ষেত্রে সফল হয়েছে। তবে এই রায়ের মধ্যে আরো দুই টার্ম তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচন করার কথা উল্লেখ রয়েছে।”
তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী,সাংসদ স্বপদে বহাল থাকবে আর তাদের অধীনে নির্বাচন হবে, এমন নজির পৃথিবীর কোথাও নেই। এ ধরনের নির্বাচন জনগণের সঙ্গে প্রতারণা ও প্রহসনের নির্বাচন ছাড়া আর কিছুই নয়।”
মাহবুব বলেন, “সরকার নীল নকশার মাধ্যমে পাতানো নির্বাচন করে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে চাইলে দেশের জনগণ একদফা আন্দোলনের মাধ্যমে সেই আশা কখনো পূরণ করতে দেবে না।”
ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব আব্দুল লতিফ নেজামী বলেন, “সরকার যতই দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করার ষড়যন্ত্র করুক না কেন, তাদের নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করা হবে। এই সরকারের অধীনে যে সব সিটি কার্পোরেশন ও উপনির্বাচন হয়েছে, সেগুলোতে তারা নিরপেক্ষতার প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছে। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করার জন্য দেশের জনগণ একদফার আন্দোলনে নামবে।”
ঢাকা মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, “সরকার এই রায়ের মাধ্যমে বাকশালের দিকে এগুচ্ছে। এই রায় এটাই প্রমাণ করে, সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতা চিরস্থায়ী ও কুক্ষিগত করতে চায়। আমাদের আর ঘরে বসে থাকার সময় নেই, সময় এখন আন্দোলন করার। সরকারের বাকশালী আচারণের কারণে আমাদের সরকার পতনের একদফা আন্দোলনের পথ ছাড়া অন্য কোনো পথ খোলা রইল না।”
উল্লেখ, রায় ঘোষণার দীর্ঘ ১৬ মাস পর সংবিধানের ত্রয়োদশ সংবিধান (তত্ত্বাবধায়ক সরকার) বাতিল করে দেওয়া সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রকাশিত হয়েছে। রোববার রাতে এ রায় প্রকাশ করা হয়।
বিচারপতি খায়রুল হক সাংবাদিকদের জানান, রায় দানকারী সাত বিচারপতিই রায়ে সই করেছেন। এদের মধ্যে চার জন তত্ত্বাবধায়ক প্রথার বিপক্ষে, ২ জন পক্ষে এবং ১ জন বিষয়টি সংসদের ওপর ছেড়ে দেওয়ার জন্য মত দিয়েছেন।
আর তাই নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন না দিয়ে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করার চেষ্টা করা হলে ১৮ দলীয় জোট একদফা আন্দোলনে যাবে। আর তা হবে সরকার পতনের একদফা আন্দোলন।
রায় ঘোষণার ১৬ মাস পর রোববার রাতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে দেওয়া সুপ্রিম কোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়। রায় প্রকাশ করার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, “আমরা পূর্ণাঙ্গ রায় পূর্ণাঙ্গভাবে দেখার পর সিদ্ধান্ত নেব।”
তিনি বলেন, “পূর্ণাঙ্গ রায়ে আরো দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে করার কথা উল্লেখ আছে। সরকার যদি এই রায় পাশ কাটিয়ে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে চায়, তবে আমরা একদফার আন্দোলনে যাবো। আর সেই আন্দোলন হবে সরকার পতনের আন্দোলন।”
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অ্যাড. খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, “সরকার তড়িঘড়ি করে যে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করতে চেয়েছিল, সে ক্ষেত্রে সফল হয়েছে। তবে এই রায়ের মধ্যে আরো দুই টার্ম তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচন করার কথা উল্লেখ রয়েছে।”
তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী,সাংসদ স্বপদে বহাল থাকবে আর তাদের অধীনে নির্বাচন হবে, এমন নজির পৃথিবীর কোথাও নেই। এ ধরনের নির্বাচন জনগণের সঙ্গে প্রতারণা ও প্রহসনের নির্বাচন ছাড়া আর কিছুই নয়।”
মাহবুব বলেন, “সরকার নীল নকশার মাধ্যমে পাতানো নির্বাচন করে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে চাইলে দেশের জনগণ একদফা আন্দোলনের মাধ্যমে সেই আশা কখনো পূরণ করতে দেবে না।”
ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব আব্দুল লতিফ নেজামী বলেন, “সরকার যতই দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করার ষড়যন্ত্র করুক না কেন, তাদের নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করা হবে। এই সরকারের অধীনে যে সব সিটি কার্পোরেশন ও উপনির্বাচন হয়েছে, সেগুলোতে তারা নিরপেক্ষতার প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছে। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করার জন্য দেশের জনগণ একদফার আন্দোলনে নামবে।”
ঢাকা মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, “সরকার এই রায়ের মাধ্যমে বাকশালের দিকে এগুচ্ছে। এই রায় এটাই প্রমাণ করে, সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতা চিরস্থায়ী ও কুক্ষিগত করতে চায়। আমাদের আর ঘরে বসে থাকার সময় নেই, সময় এখন আন্দোলন করার। সরকারের বাকশালী আচারণের কারণে আমাদের সরকার পতনের একদফা আন্দোলনের পথ ছাড়া অন্য কোনো পথ খোলা রইল না।”
উল্লেখ, রায় ঘোষণার দীর্ঘ ১৬ মাস পর সংবিধানের ত্রয়োদশ সংবিধান (তত্ত্বাবধায়ক সরকার) বাতিল করে দেওয়া সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রকাশিত হয়েছে। রোববার রাতে এ রায় প্রকাশ করা হয়।
বিচারপতি খায়রুল হক সাংবাদিকদের জানান, রায় দানকারী সাত বিচারপতিই রায়ে সই করেছেন। এদের মধ্যে চার জন তত্ত্বাবধায়ক প্রথার বিপক্ষে, ২ জন পক্ষে এবং ১ জন বিষয়টি সংসদের ওপর ছেড়ে দেওয়ার জন্য মত দিয়েছেন।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন