সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৈঠকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং নিয়ন্ত্রণ-২০১২ খসড়া আইনের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা । বৈঠক শেষে মন্ত্রী পরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন ভূইয়া সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “মাল্টিলেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) ব্যবসার নামে প্রতারণা বন্ধে শাস্তির বিধান রেখে ‘ডাইরেক্ট সেল’ আইন বাতিল করে নতুন করে মাল্টিলেভেল নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২’ খসড়া প্রণয়ন করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।” এমএলএম কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে শত শত কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের প্রতারণা ঠেকাতে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনের খসড়ায়। সচিব বলেন, “খসড়া আইনে কোনো ব্যক্তি বা কোম্পানি লাইসেন্স এবং নিবন্ধন ছাড়া এমএলএম ব্যবসা করলে কমপক্ষে তিন বছর বা সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও একইসঙ্গে ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।” লাইসেন্স নবায়ন ছাড়া ব্যবসা করলে সর্বনিম্ন ছয় মাস ও সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট পণ্য বা সেবার বাইরে ব্যবসা পরিচালনা করলে তিন থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকার জরিমানা দেয়ার কথা বলা হয়েছে খসড়া আইনে। প্রতিশ্রুত পণ্য বা সেবা যথাযথভাবে বিক্রয় বা সরবরাহ না করলে এবং নিম্নমানের পণ্য বিক্রি করলে এক থেকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা বা গৃহীত সেবা, পণ্যমূল্যের দ্বিগুণ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে। মিথ্যা বিজ্ঞাপন ও তথ্য দিয়ে প্রতারণা করলে এক থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং প্রতারিত ব্যক্তির আর্থির ক্ষতির দ্বিগুণ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
এ খসড়া আইনে মোট ১৪টি অধ্যায়, ৪৮টি ধারা এবং দুটি তফসিল রয়েছে। প্রস্তাবিত এই আইন অনুযায়ী ডাইরেক্ট সেল (এমএলএম) ব্যবসা পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট দলিলপত্রসহ লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। লাইসেন্স প্রাপ্তির পর কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর আওতায় নিবন্ধন নিতে হবে। যেসব কোম্পানি আলোচ্য আইন জারির পূর্ব থেকেই ডাইরেক্ট সেল ব্যবসায় জড়িত, তাদেরকেও আইন জারির ৯০ দিনের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে। প্রতিবছর লাইসেন্স নবায়ন করতে হবে। আইনে, এ ব্যবসায় জড়িত সব কোম্পানিকে বার্ষিক একটি প্রতিবেদন বছর শেষ হবার তিন মাসের মধ্যে সরকার বা সরকার কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা প্রতিষ্ঠানের কাছে জমা দিতে হবে। সরকার প্রয়োজন মনে করলে এ আইনের উদ্দেশ্য পূরণে কোনো প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করতে পারবে বা কোনো প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দিতে পারবে বলেও খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া মন্ত্রিসভায় ছয়টি বিষয় উখাপিত হয় এবং তা নীতিগত অনুমোদন করা হয়। এর মধ্যে জনসংখ্যা নীতি-২০১২ এর খসড়াও রয়েছে। বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন (সংশোধন) আইন ২০১২ এর খসড়া অনুমোদন, ইসলামিক আইন (Amendment act, 2012) এর খসড়া অনুমোদন, তুরস্কের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ভিসা অব্যাহত চুক্তি অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) (সংশোধন) আইন ২০১২এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে।
এ খসড়া আইনে মোট ১৪টি অধ্যায়, ৪৮টি ধারা এবং দুটি তফসিল রয়েছে। প্রস্তাবিত এই আইন অনুযায়ী ডাইরেক্ট সেল (এমএলএম) ব্যবসা পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট দলিলপত্রসহ লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। লাইসেন্স প্রাপ্তির পর কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর আওতায় নিবন্ধন নিতে হবে। যেসব কোম্পানি আলোচ্য আইন জারির পূর্ব থেকেই ডাইরেক্ট সেল ব্যবসায় জড়িত, তাদেরকেও আইন জারির ৯০ দিনের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে। প্রতিবছর লাইসেন্স নবায়ন করতে হবে। আইনে, এ ব্যবসায় জড়িত সব কোম্পানিকে বার্ষিক একটি প্রতিবেদন বছর শেষ হবার তিন মাসের মধ্যে সরকার বা সরকার কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা প্রতিষ্ঠানের কাছে জমা দিতে হবে। সরকার প্রয়োজন মনে করলে এ আইনের উদ্দেশ্য পূরণে কোনো প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করতে পারবে বা কোনো প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দিতে পারবে বলেও খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া মন্ত্রিসভায় ছয়টি বিষয় উখাপিত হয় এবং তা নীতিগত অনুমোদন করা হয়। এর মধ্যে জনসংখ্যা নীতি-২০১২ এর খসড়াও রয়েছে। বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন (সংশোধন) আইন ২০১২ এর খসড়া অনুমোদন, ইসলামিক আইন (Amendment act, 2012) এর খসড়া অনুমোদন, তুরস্কের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ভিসা অব্যাহত চুক্তি অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) (সংশোধন) আইন ২০১২এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন