সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা শেষে
আজিমপুর গোরস্থানে বাবার কবরে আতাউস সামাদকে দাফন করা হয়েছে। এখানে তাকে
শেষ বারের দেখতে মানুষের ঢল নামে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিক আতাউস সামাদের দ্বিতীয় জানাজা হয়। সেখানে তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে সংবাদকর্মী, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিকসহ সর্বস্তরের মানুষ জড়ো হন।
বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে তিনটায় প্রেসক্লাবে তাকে শ্রদ্ধা জানান প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম মূসা, কামলা লোহানী, দৈনিক সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, এনটিভির চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক আলী ফালু, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ, সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিএনপিপন্থী বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজ) সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, আওয়ামী লীগপন্থী বিএফইউজের সভাপতি ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও মহাসচিব আবদুল জলিল ভূঁইয়া, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজ) সভাপতি ওমর ফারুক, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খানসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ।
বাদ জোহর সাংবাদিক আতাউস সামাদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় গুলশানের আজাদ মসজিদে। প্রথম জানাজায় তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী সাংবাদিকসহ রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
এদিন সকাল ১০টা ২০ মিনিটে বসুন্ধরার অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে তার পরিবারের সদস্যরা মৃতদেহ বারিধারার বাসায় নিয়ে যান। সেখানে কিছু সময় রাখার পর গুলশানের আজাদ মসজিদে মৃতদেহ নেওয়া হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাতে অ্যাপোলো হাসপাতালে মৃত্যু হয় প্রথিতযশা এই সাংবাদিকের। তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।
এর আগে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি ও পায়ের জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ আতাউস সামাদের অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় রোববার সন্ধ্যায় তাকে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
তার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীবর্গ, বিরোধীদলীয় নেতাসহ এবং বিশিষ্টজনরা শোক প্রকাশ করেছেন। সাংবাদিক মহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
দৈনিক আমার দেশের উপদেষ্টা সম্পাদক আতাউস সামাদ দীর্ঘ সময় বিবিসির বাংলাদেশ সংবাদদাতা ছিলেন। বেসরকারি টেলিভিশন এনটিভির প্রধান নির্বাহীর দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার বিশেষ প্রতিনিধি এবং দিল্লি ব্যুরো চিফ ও বাংলাদেশ অবজারভারের চিফ রিপোর্টার ছিলেন। এছাড়া দীর্ঘ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক ছিলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিক আতাউস সামাদের দ্বিতীয় জানাজা হয়। সেখানে তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে সংবাদকর্মী, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিকসহ সর্বস্তরের মানুষ জড়ো হন।
বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে তিনটায় প্রেসক্লাবে তাকে শ্রদ্ধা জানান প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম মূসা, কামলা লোহানী, দৈনিক সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, এনটিভির চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক আলী ফালু, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ, সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিএনপিপন্থী বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজ) সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, আওয়ামী লীগপন্থী বিএফইউজের সভাপতি ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও মহাসচিব আবদুল জলিল ভূঁইয়া, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজ) সভাপতি ওমর ফারুক, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খানসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ।
বাদ জোহর সাংবাদিক আতাউস সামাদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় গুলশানের আজাদ মসজিদে। প্রথম জানাজায় তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী সাংবাদিকসহ রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
এদিন সকাল ১০টা ২০ মিনিটে বসুন্ধরার অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে তার পরিবারের সদস্যরা মৃতদেহ বারিধারার বাসায় নিয়ে যান। সেখানে কিছু সময় রাখার পর গুলশানের আজাদ মসজিদে মৃতদেহ নেওয়া হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাতে অ্যাপোলো হাসপাতালে মৃত্যু হয় প্রথিতযশা এই সাংবাদিকের। তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।
এর আগে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি ও পায়ের জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ আতাউস সামাদের অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় রোববার সন্ধ্যায় তাকে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
তার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীবর্গ, বিরোধীদলীয় নেতাসহ এবং বিশিষ্টজনরা শোক প্রকাশ করেছেন। সাংবাদিক মহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
দৈনিক আমার দেশের উপদেষ্টা সম্পাদক আতাউস সামাদ দীর্ঘ সময় বিবিসির বাংলাদেশ সংবাদদাতা ছিলেন। বেসরকারি টেলিভিশন এনটিভির প্রধান নির্বাহীর দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার বিশেষ প্রতিনিধি এবং দিল্লি ব্যুরো চিফ ও বাংলাদেশ অবজারভারের চিফ রিপোর্টার ছিলেন। এছাড়া দীর্ঘ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক ছিলেন তিনি।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন