প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “পদ্মা সেতু নির্মাণে উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান ও সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে যে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হচ্ছে তার প্রমাণ কোথায়? শতবার চাওয়ার পরও তো কেউ তা দিতে পারল না। দুদকের তদন্তের স্বচ্ছতার কারণে সৈয়দ আবুল হোসেন পদত্যাগ করেছেন।” তবে সুনির্দিষ্ট কারো বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির প্রমাণ পেলে সে যতবড়ই শক্তিধর হোন তাকে ছাড়া হবে না বলেও বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন বলেও সূত্রটি জানায়।
শনিবার গণভবনে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এ বৈঠকে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী-এমপিদের কাছে সংগঠনের কোনো কাজে গেলে পাত্তা না দেয়ার অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতারা।
বৈঠক সূত্র আরো জানায়, সংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গুজব আছে একবার একটি দল ক্ষমতায় আসলে পরবর্তী নির্বাচনে আসতে পারে না। এবার সেই রেকর্ড ভাঙবে আওয়ামী লীগ। কারণ গত সাড়ে তিন বছরে আওয়ামী লীগ জনগণের উন্নয়নে যা করেছে, বিএনপি-জামায়াতের পাঁচ বছর আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছর মিলিয়ে সাত বছরেও সেই উন্নয়ন হয়নি। হতাশ হওয়ার কিছু নেই। সাহসের সঙ্গে পথ চলে সংগঠনকে শক্তিশালী করুন। যতই ষড়যন্ত্র বা অপপ্রচার চালিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হোক না কেন, জনগণ আমাদের সঙ্গেই আছে।”
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের ফিরিস্থি জনগণের মধ্যে প্রচার করতে সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাদের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “যে যে সেক্টরে কাজ করেন, সেসব সেক্টরে বর্তমান সরকারের সাড়ে তিন বছরে যেসব উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে তা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।”
সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে কোনো পরিস্থিতিতে ভয় না পাওয়ার আহবান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা ন্যায় ও সত্যের পথে আছি। যেকোনো সমস্যা মোকাবেলা করতে হবে। ভয় পেলে চলবে না। পাশাপাশি তিনি সংগঠনকে তৃনমূল পর্যন্ত শক্তিশালী করতে নেতাদের নির্দেশ দেন তিনি।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, “বর্তমান সরকারের আমলেই বহুল আলোচিত পদ্মা সেতু হবে। এ নিয়ে হতাশার কিছু নেই।” নোবেল বিজয়ী ড. মোহাম্মদ ইউনূসের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “ওয়ান ইলেভেনের পর তিনি তার নতুন দল গঠনে ৮০ নেতার নাম দিয়েছিলেন। কিন্তু ওই তালিকা থেকে মাত্র দু’জন ছাড়া অন্য কেউ তার দলে যোগ দেননি। এই রাগ থেকেই অনেক কিছু ঘটানো হচ্ছে। পদ্মা সেতু নির্মাণে জটিলতায় তার হাত থাকতে পারে।” তিনি হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ক্ষমা প্রার্থনার ভূঁয়সী প্রশংসা করেন।
এ বৈঠকে আওয়ামী লীগের সভাপতির কাছে সহযোগী সংগঠনের নেতারা বলেন, এমপি মন্ত্রীর কাছে গিয়ে সংগঠনের ব্যাপারে কোনো সাড়া পাওয়া যায় না। একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর কাছে গেলেই তারা কিছু পান। সংগঠনকে সারাদেশে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে গেলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের কিছু আব্দার রক্ষা করতে হয়। কিন্তু সেই কাজে মন্ত্রী-এমপিদের কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায় না। তারা শুধু নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত।
বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতার সাথে কথা বলে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সভায় যেসব সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন হয়নি, সেসব সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সম্মেলনের জন্য তাদের প্রস্ত্ততি আছে জানিয়ে বলেন, নেত্রী (শেখ হাসিনা) সময় দিলেই সম্মেলন করতে পারেন তারা।
সূত্র জানায়, বৈঠকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাউসার সংগঠন চালানোর জন্য মাসিক টাকা দাবি করেন শেখ হাসিনার কাছে। কিন্তু তাতে সায় না দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “বঙ্গবন্ধুর জীবনী পড়ো। বঙ্গবন্ধু তো সংগঠন চালানোর জন্য কারো কাছ থেকে হাত পাতেননি।”
সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম তার বক্তব্যে সহযোগী সংগঠনে কিছু সমস্যা আছে স্বীকার করে সেগুলো অচিরেই কেটে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে রুদ্ধদ্বার এই দীর্ঘ বৈঠকে বক্তব্য রাখেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাউছার, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আখতার এমপি, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপিকা অপু উকিল এমপি, শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর আলী, ছাত্রলীগের সভাপতি এ এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল হোসেন। বৈঠকে কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার গণভবনে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এ বৈঠকে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী-এমপিদের কাছে সংগঠনের কোনো কাজে গেলে পাত্তা না দেয়ার অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতারা।
বৈঠক সূত্র আরো জানায়, সংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গুজব আছে একবার একটি দল ক্ষমতায় আসলে পরবর্তী নির্বাচনে আসতে পারে না। এবার সেই রেকর্ড ভাঙবে আওয়ামী লীগ। কারণ গত সাড়ে তিন বছরে আওয়ামী লীগ জনগণের উন্নয়নে যা করেছে, বিএনপি-জামায়াতের পাঁচ বছর আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছর মিলিয়ে সাত বছরেও সেই উন্নয়ন হয়নি। হতাশ হওয়ার কিছু নেই। সাহসের সঙ্গে পথ চলে সংগঠনকে শক্তিশালী করুন। যতই ষড়যন্ত্র বা অপপ্রচার চালিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হোক না কেন, জনগণ আমাদের সঙ্গেই আছে।”
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের ফিরিস্থি জনগণের মধ্যে প্রচার করতে সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাদের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “যে যে সেক্টরে কাজ করেন, সেসব সেক্টরে বর্তমান সরকারের সাড়ে তিন বছরে যেসব উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে তা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।”
সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে কোনো পরিস্থিতিতে ভয় না পাওয়ার আহবান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা ন্যায় ও সত্যের পথে আছি। যেকোনো সমস্যা মোকাবেলা করতে হবে। ভয় পেলে চলবে না। পাশাপাশি তিনি সংগঠনকে তৃনমূল পর্যন্ত শক্তিশালী করতে নেতাদের নির্দেশ দেন তিনি।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, “বর্তমান সরকারের আমলেই বহুল আলোচিত পদ্মা সেতু হবে। এ নিয়ে হতাশার কিছু নেই।” নোবেল বিজয়ী ড. মোহাম্মদ ইউনূসের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “ওয়ান ইলেভেনের পর তিনি তার নতুন দল গঠনে ৮০ নেতার নাম দিয়েছিলেন। কিন্তু ওই তালিকা থেকে মাত্র দু’জন ছাড়া অন্য কেউ তার দলে যোগ দেননি। এই রাগ থেকেই অনেক কিছু ঘটানো হচ্ছে। পদ্মা সেতু নির্মাণে জটিলতায় তার হাত থাকতে পারে।” তিনি হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ক্ষমা প্রার্থনার ভূঁয়সী প্রশংসা করেন।
এ বৈঠকে আওয়ামী লীগের সভাপতির কাছে সহযোগী সংগঠনের নেতারা বলেন, এমপি মন্ত্রীর কাছে গিয়ে সংগঠনের ব্যাপারে কোনো সাড়া পাওয়া যায় না। একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর কাছে গেলেই তারা কিছু পান। সংগঠনকে সারাদেশে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে গেলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের কিছু আব্দার রক্ষা করতে হয়। কিন্তু সেই কাজে মন্ত্রী-এমপিদের কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায় না। তারা শুধু নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত।
বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতার সাথে কথা বলে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সভায় যেসব সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন হয়নি, সেসব সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সম্মেলনের জন্য তাদের প্রস্ত্ততি আছে জানিয়ে বলেন, নেত্রী (শেখ হাসিনা) সময় দিলেই সম্মেলন করতে পারেন তারা।
সূত্র জানায়, বৈঠকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাউসার সংগঠন চালানোর জন্য মাসিক টাকা দাবি করেন শেখ হাসিনার কাছে। কিন্তু তাতে সায় না দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “বঙ্গবন্ধুর জীবনী পড়ো। বঙ্গবন্ধু তো সংগঠন চালানোর জন্য কারো কাছ থেকে হাত পাতেননি।”
সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম তার বক্তব্যে সহযোগী সংগঠনে কিছু সমস্যা আছে স্বীকার করে সেগুলো অচিরেই কেটে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে রুদ্ধদ্বার এই দীর্ঘ বৈঠকে বক্তব্য রাখেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাউছার, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আখতার এমপি, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপিকা অপু উকিল এমপি, শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর আলী, ছাত্রলীগের সভাপতি এ এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল হোসেন। বৈঠকে কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন