সরকারের জুলুম নির্যাতন, লুটপাট এবং সকল দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া।
বৃহস্পতিবার চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে টাঙ্গাইল জেলার নেতাদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
এদিন রাত সোয়া ৯টা থেকে রাত সোয়া ১২টা পর্যন্ত টাঙ্গাইল জেলা দলের নেতাকর্মীদের সাথে খালেদা জিয়া বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।
সভায় নেতারা তাদের সাংগঠনিকসহ বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত নেতাদের মধ্যে ১৯ জন বক্তব্য রাখেন।
এসময় নেতারা খালেদা জিয়ার কাছে সরকারি দল ও পুলিশ বাহিনীর হাতে নির্যাতনের ও মিথ্যা মামলার বিষয় তুলে ধরেন। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য রাখেন অনেকে। কেউ কেউ তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারেও কথা বলেন।
উপস্থিত নেতারা সরকারের জুলুম নির্যাতন, লুটপাট ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার জন্য নেত্রীকে অনুরোধ জানান। নেতারা বলেন, আওয়ামী লীগের সাথে কোনো ভদ্রোচিত আচরণ করে কোনো দাবি আদায় করা যাবে না।
সুতরাং তারা আগামী নির্বাচন দলীয় সরকারের অধীনে করার যে ষড়যন্ত্র করছে তার বিরুদ্ধে ঘরে ঘরে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার জন্য নেত্রীকে অনুরোধ করেন।
খালেদা জিয়া ধৈর্যসহ তাদের বক্তব্য শোনেন এবং সমাপণী বক্তব্যে সরকার বিরোধী কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ব্যাপারে নেতাদের আশ্বস্ত করেন।
তিনি নেতাদের বলেন, “১৮ দল আস্তে আস্তে কঠোর কর্মসূচির দিকে যাবে। সরকার যদি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন না দিয়ে বিকল্প পথে নির্বাচন দেয় তবে সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন করা হবে।”
সে আন্দোলনে বিজয় ছিনিয়ে আনতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বিএনপি’র সম্পর্ক আরও গভীর করে তুলতে নেতাদের প্রত্যেক নাগরিকের ঘরে ঘরে যাওয়ার নির্দেশ দেন খালেদা জিয়া।
তিনি সরকারের দুর্নীতিসহ সকল অপকর্মের তথ্য প্রত্যেক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ারও নির্দেশ দেন জেলা নেতাদের।
এছাড়া, খালেদা জিয়া নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করারও আহ্বান জানান নেতাদের প্রতি।
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে চলমান সরকার বিরোধী আন্দোলন জোরদার করতে এবং আন্দোলন ও বিএনপির প্রতি জনসমর্থন বাড়াতে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ধারাবাহিক এ মতবিনিময় করেছেন খালেদা জিয়া।
বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে মতবিনিময়ে অংশ নিয়েছেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান, সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ শামসুল আলম তোফা, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, সিনিয়র সহ-সভাপতি ফকির মাহবুব আনাম স্বপন (স্বপন ফকির), এমএ হামিদ, মির্জাপুর উপজেলা বিএনপি সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম নয়া, হযরত আলী, জুলহাস আলী, ঘাটাইলের সানাউর রহমান ছানা, আব্দুল করিম, গোপালপুরের রুবেল সরকার ও আব্দুল মোমেন, কালীহাতির লুৎফর রহমান মতিন ও শফি তালুকদার, নাগরপুর উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী ও আব্দুস সালাম, দেলদুয়ার উপজেলা সভাপতি আ. আজিজ চান খাঁ, ফেরদৌস আহমেদ, মধুপুর উপজেলা সভাপতি জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র সরকার শহীদ, ভূঁয়াপুর উপজেলার রমজান আলী ও অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা, সখীপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান ও নাসির উদ্দিন, বাসাইল উপজেলা সভাপতি কাজী শহিদুর রহমান ও এনামুল করিম অটলসহ জেলা ও প্রতিটি উপজেলার প্রতিটি ইউনিট থেকে ৫ জন করে মোট ১২০ জন নেতা।
এছাড়াও খালেদা জিয়ার সঙ্গে এ মতবিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা বিভাগের বিএনপি দলীয় একমাত্র সংসদ সদস্য মে. জে.(অব.) মাহমুদুল হাসান।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে টাঙ্গাইল জেলার নেতাদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
এদিন রাত সোয়া ৯টা থেকে রাত সোয়া ১২টা পর্যন্ত টাঙ্গাইল জেলা দলের নেতাকর্মীদের সাথে খালেদা জিয়া বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।
সভায় নেতারা তাদের সাংগঠনিকসহ বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত নেতাদের মধ্যে ১৯ জন বক্তব্য রাখেন।
এসময় নেতারা খালেদা জিয়ার কাছে সরকারি দল ও পুলিশ বাহিনীর হাতে নির্যাতনের ও মিথ্যা মামলার বিষয় তুলে ধরেন। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য রাখেন অনেকে। কেউ কেউ তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারেও কথা বলেন।
উপস্থিত নেতারা সরকারের জুলুম নির্যাতন, লুটপাট ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার জন্য নেত্রীকে অনুরোধ জানান। নেতারা বলেন, আওয়ামী লীগের সাথে কোনো ভদ্রোচিত আচরণ করে কোনো দাবি আদায় করা যাবে না।
সুতরাং তারা আগামী নির্বাচন দলীয় সরকারের অধীনে করার যে ষড়যন্ত্র করছে তার বিরুদ্ধে ঘরে ঘরে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার জন্য নেত্রীকে অনুরোধ করেন।
খালেদা জিয়া ধৈর্যসহ তাদের বক্তব্য শোনেন এবং সমাপণী বক্তব্যে সরকার বিরোধী কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ব্যাপারে নেতাদের আশ্বস্ত করেন।
তিনি নেতাদের বলেন, “১৮ দল আস্তে আস্তে কঠোর কর্মসূচির দিকে যাবে। সরকার যদি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন না দিয়ে বিকল্প পথে নির্বাচন দেয় তবে সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন করা হবে।”
সে আন্দোলনে বিজয় ছিনিয়ে আনতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বিএনপি’র সম্পর্ক আরও গভীর করে তুলতে নেতাদের প্রত্যেক নাগরিকের ঘরে ঘরে যাওয়ার নির্দেশ দেন খালেদা জিয়া।
তিনি সরকারের দুর্নীতিসহ সকল অপকর্মের তথ্য প্রত্যেক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ারও নির্দেশ দেন জেলা নেতাদের।
এছাড়া, খালেদা জিয়া নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করারও আহ্বান জানান নেতাদের প্রতি।
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে চলমান সরকার বিরোধী আন্দোলন জোরদার করতে এবং আন্দোলন ও বিএনপির প্রতি জনসমর্থন বাড়াতে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ধারাবাহিক এ মতবিনিময় করেছেন খালেদা জিয়া।
বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে মতবিনিময়ে অংশ নিয়েছেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান, সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ শামসুল আলম তোফা, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, সিনিয়র সহ-সভাপতি ফকির মাহবুব আনাম স্বপন (স্বপন ফকির), এমএ হামিদ, মির্জাপুর উপজেলা বিএনপি সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম নয়া, হযরত আলী, জুলহাস আলী, ঘাটাইলের সানাউর রহমান ছানা, আব্দুল করিম, গোপালপুরের রুবেল সরকার ও আব্দুল মোমেন, কালীহাতির লুৎফর রহমান মতিন ও শফি তালুকদার, নাগরপুর উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী ও আব্দুস সালাম, দেলদুয়ার উপজেলা সভাপতি আ. আজিজ চান খাঁ, ফেরদৌস আহমেদ, মধুপুর উপজেলা সভাপতি জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র সরকার শহীদ, ভূঁয়াপুর উপজেলার রমজান আলী ও অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা, সখীপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান ও নাসির উদ্দিন, বাসাইল উপজেলা সভাপতি কাজী শহিদুর রহমান ও এনামুল করিম অটলসহ জেলা ও প্রতিটি উপজেলার প্রতিটি ইউনিট থেকে ৫ জন করে মোট ১২০ জন নেতা।
এছাড়াও খালেদা জিয়ার সঙ্গে এ মতবিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা বিভাগের বিএনপি দলীয় একমাত্র সংসদ সদস্য মে. জে.(অব.) মাহমুদুল হাসান।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন