মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জামায়াতের কর্মপরিষদ ও নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের চেয়ারম্যান মীর কাসেম আলীকে শনিবার সেফ হোমে জিজ্ঞাসাবাদ করবে তদন্ত সংস্থা।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, শনিবার দিনভর রাজধানীর ধানমণ্ডিতে অবস্থিত সেফ হোমে মীর কাসেম আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়কারী আব্দুল হান্নান খান, তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক খান, মতিউর রহমান ও নূরুল ইসলাম।
নিয়ম অনুসারে তাকে কারাগার থেকে এনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চিজ্ঞাসাবাদ চলেবে। মাঝে দুপুরের খাবার এবং নামাজের জন্য এক ঘণ্টা বিরতি দেওয়া হবে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আবার কারাগারে ফেরত নেওয়া হবে।
নিয়ম অনুযায়ী জিজ্ঞাসাবাদকালে মীর কাসেম আলীর একজন আইনজীবী ও একজন চিকিৎসক পাশের কক্ষে থাকবেন। তবে তারা আসামির সঙ্গে কোনো কথা বা আলাপ করতে পারবেন না।
গত ৫ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে-১ মীর কাসেম আলীকে সেফ হোমে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানায় তদন্ত সংস্থা। চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হকের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের ট্রাইব্যুনাল ৮ জুলাই শুনানি শেষে এ আবেদন মঞ্জুর করেন।
মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে গত ১২ আগস্ট তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়েছে প্রসিকিউশন। তদন্ত সংস্থার মাধ্যমে পাওয়া এ অগ্রগতি প্রতিবেদন ওই দিন ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়।
ট্রাইব্যুনাল আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন নির্দেশ দিয়েছেন দিয়েছেন। একই সঙ্গে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হলে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য প্রসিকিউশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৭ জুন বিকেলে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি), স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), র্যাব ও পুলিশের শতাধিক সদস্য রাজধানী ঢাকার মতিঝিলে দৈনিক নয়া দিগন্ত অফিস থেকে মীর কাসেম আলীকে গ্রেফতার করেন।
এর আগে ওই দিনই সকালে প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক নিজামুল হক নাসিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ মীর কাসেম আলীকে গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেন। ১৮ জুন মীর কাসেম আলীকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। ওই দিন শুনানি শেষে ১৯ জুন দেওয়া আদেশে ট্রাইব্যুনাল তার করা জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠান।
রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটররা জানিয়েছেন, মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদনে প্রমাণ পাওয়া গেছে, মীর কাসেম আলী মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আলবদর বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন।
তারা আরো জানিয়েছেন, মানিকগঞ্জের হরিরামপুর থানার চালা গ্রামের পিডব্লিউডি কর্মচারী তৈয়ব আলীর চার ছেলের মধ্যে দ্বিতীয় মীর কাসেম। ডাক নাম পিয়ারু, সবাই চেনে মিন্টু নামে।
স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে তিনি বাবার চাকরির সুবাদে চট্টগ্রামে যান। চট্টগ্রাম কলেজের ছাত্র থাকার সময় জড়িয়ে পড়েন মওদুদীর মৌলবাদী রাজনীতিতে। জামায়াতের অঙ্গসংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের দায়িত্ব পান স্বাধীনতার আগে।
স্বাধীনতাবিরোধী তৎপরতার সময় ছাত্রসংঘের নতুন প্রাদেশিক পরিষদ গঠন হয়। মীর কাসেম হন তার সাধারণ সম্পাদক। সে সময় সংগঠনটির সভাপতি ছিলেন যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতের বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ।
অভিযোগ রয়েছে, মীর কাসেমের নির্দেশে চট্টগ্রামের টেলিগ্রাফ অফিসের লাগোয়া ডালিম হোটেলে রাজাকার বাহিনীর বন্দিশিবির খোলা হয়। বহু লোককে সেখানে নিয়ে খুন করা হয়। পানির বদলে অনেক বন্দিকে খাওয়ানো হতো প্রস্রাব। ১৭ ডিসেম্বর সেখান থেকে সাড়ে ৩শ’ বন্দিকে জীবন্মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। বুদ্ধিজীবী হত্যার তালিকা প্রণয়নকারীদের অন্যতম ছিলেন মীর কাসেম আলী।
প্রসিকিউটররা আরো জানান, চট্টগ্রাম শহরের নন্দনকানন টিঅ্যান্ডটি অফিসের পেছনের সড়ক যা এর আগে টেলিগ্রাফ রোড বলে পরিচিত ছিল সেখানে এক হিন্দু পরিবারের মালিকানাধীন ‘মহামায়া ভবন’টিকে মীর কাসেম আলীর নেতৃত্বাধীন আলবদর বাহিনী কেড়ে নিয়ে নাম দেয় ডালিম হোটেল। দেশ স্বাধীন হওয়ার আগ পর্যন্ত এই ডালিম হোটেলই আলবদর, রাজাকারদের অন্যতম নির্যাতনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছিল চট্টগ্রামবাসীর কাছে।
স্বাধীনতার পর মীর কাসেম পালিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। মিন্টু নামে নিজের পরিচয় দিতেন তিনি। নিজেকে বলতেন মুক্তিযোদ্ধা। কিন্তু চিহ্নিত হয়ে পড়ার পর আরেক ঘাতক মঈনুদ্দিনের সঙ্গে পালিয়ে চলে যান লন্ডন। সেখান থেকে সৌদি আরব। সেখানে স্বাধীনতাবিরোধীদের সংগঠিত করতে থাকেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর দেশে ফিরে আসেন মীর কাসেম।
জিয়ার শাসনামলে নতুন করে সংগঠিত হয় ইসলামী ছাত্রসংঘ। নাম বদলে হয় ইসলামী ছাত্রশিবির। ছাত্রশিবিরের প্রথম কেন্দ্রীয় সভাপতি হন মীর কাসেম আলী। এরপর রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের নামে রাবেতা আল ইসলামী গড়ে তোলেন। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর টাকায় আস্তে আস্তে প্রতিষ্ঠা করেন ইসলামী ব্যাংক, ইবনে সিনা ট্রাস্ট ও ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস। জামায়াত ও শিবিরের আয়ের এবং কর্মসংস্থানের বড় উৎস হয়ে দাঁড়ায় এসব প্রতিষ্ঠান।
জামায়াতের কর্মপরিষদ ও নির্বাহী পরিষদ সদস্য হিসেবে অর্থ আদান-প্রদানের মূল দায়িত্বে থাকা মীর কাসেম আলী বর্তমানে দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের চেয়ারম্যান। এ ছাড়া তিনি ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক, ইবনে সিনা ট্রাস্টের সদস্য (প্রশাসন) এবং কেয়ারি হাউজিং ও ইডেন শিপিং লাইন্সের চেয়ারম্যান। তিনি রাবেতা আলম আল ইসলামীর এদেশীয় পরিচালক।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, শনিবার দিনভর রাজধানীর ধানমণ্ডিতে অবস্থিত সেফ হোমে মীর কাসেম আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়কারী আব্দুল হান্নান খান, তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক খান, মতিউর রহমান ও নূরুল ইসলাম।
নিয়ম অনুসারে তাকে কারাগার থেকে এনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চিজ্ঞাসাবাদ চলেবে। মাঝে দুপুরের খাবার এবং নামাজের জন্য এক ঘণ্টা বিরতি দেওয়া হবে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আবার কারাগারে ফেরত নেওয়া হবে।
নিয়ম অনুযায়ী জিজ্ঞাসাবাদকালে মীর কাসেম আলীর একজন আইনজীবী ও একজন চিকিৎসক পাশের কক্ষে থাকবেন। তবে তারা আসামির সঙ্গে কোনো কথা বা আলাপ করতে পারবেন না।
গত ৫ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে-১ মীর কাসেম আলীকে সেফ হোমে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানায় তদন্ত সংস্থা। চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হকের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের ট্রাইব্যুনাল ৮ জুলাই শুনানি শেষে এ আবেদন মঞ্জুর করেন।
মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে গত ১২ আগস্ট তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়েছে প্রসিকিউশন। তদন্ত সংস্থার মাধ্যমে পাওয়া এ অগ্রগতি প্রতিবেদন ওই দিন ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়।
ট্রাইব্যুনাল আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন নির্দেশ দিয়েছেন দিয়েছেন। একই সঙ্গে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হলে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য প্রসিকিউশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৭ জুন বিকেলে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি), স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), র্যাব ও পুলিশের শতাধিক সদস্য রাজধানী ঢাকার মতিঝিলে দৈনিক নয়া দিগন্ত অফিস থেকে মীর কাসেম আলীকে গ্রেফতার করেন।
এর আগে ওই দিনই সকালে প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক নিজামুল হক নাসিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ মীর কাসেম আলীকে গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেন। ১৮ জুন মীর কাসেম আলীকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। ওই দিন শুনানি শেষে ১৯ জুন দেওয়া আদেশে ট্রাইব্যুনাল তার করা জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠান।
রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটররা জানিয়েছেন, মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদনে প্রমাণ পাওয়া গেছে, মীর কাসেম আলী মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আলবদর বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন।
তারা আরো জানিয়েছেন, মানিকগঞ্জের হরিরামপুর থানার চালা গ্রামের পিডব্লিউডি কর্মচারী তৈয়ব আলীর চার ছেলের মধ্যে দ্বিতীয় মীর কাসেম। ডাক নাম পিয়ারু, সবাই চেনে মিন্টু নামে।
স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে তিনি বাবার চাকরির সুবাদে চট্টগ্রামে যান। চট্টগ্রাম কলেজের ছাত্র থাকার সময় জড়িয়ে পড়েন মওদুদীর মৌলবাদী রাজনীতিতে। জামায়াতের অঙ্গসংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের দায়িত্ব পান স্বাধীনতার আগে।
স্বাধীনতাবিরোধী তৎপরতার সময় ছাত্রসংঘের নতুন প্রাদেশিক পরিষদ গঠন হয়। মীর কাসেম হন তার সাধারণ সম্পাদক। সে সময় সংগঠনটির সভাপতি ছিলেন যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতের বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ।
অভিযোগ রয়েছে, মীর কাসেমের নির্দেশে চট্টগ্রামের টেলিগ্রাফ অফিসের লাগোয়া ডালিম হোটেলে রাজাকার বাহিনীর বন্দিশিবির খোলা হয়। বহু লোককে সেখানে নিয়ে খুন করা হয়। পানির বদলে অনেক বন্দিকে খাওয়ানো হতো প্রস্রাব। ১৭ ডিসেম্বর সেখান থেকে সাড়ে ৩শ’ বন্দিকে জীবন্মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। বুদ্ধিজীবী হত্যার তালিকা প্রণয়নকারীদের অন্যতম ছিলেন মীর কাসেম আলী।
প্রসিকিউটররা আরো জানান, চট্টগ্রাম শহরের নন্দনকানন টিঅ্যান্ডটি অফিসের পেছনের সড়ক যা এর আগে টেলিগ্রাফ রোড বলে পরিচিত ছিল সেখানে এক হিন্দু পরিবারের মালিকানাধীন ‘মহামায়া ভবন’টিকে মীর কাসেম আলীর নেতৃত্বাধীন আলবদর বাহিনী কেড়ে নিয়ে নাম দেয় ডালিম হোটেল। দেশ স্বাধীন হওয়ার আগ পর্যন্ত এই ডালিম হোটেলই আলবদর, রাজাকারদের অন্যতম নির্যাতনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছিল চট্টগ্রামবাসীর কাছে।
স্বাধীনতার পর মীর কাসেম পালিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। মিন্টু নামে নিজের পরিচয় দিতেন তিনি। নিজেকে বলতেন মুক্তিযোদ্ধা। কিন্তু চিহ্নিত হয়ে পড়ার পর আরেক ঘাতক মঈনুদ্দিনের সঙ্গে পালিয়ে চলে যান লন্ডন। সেখান থেকে সৌদি আরব। সেখানে স্বাধীনতাবিরোধীদের সংগঠিত করতে থাকেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর দেশে ফিরে আসেন মীর কাসেম।
জিয়ার শাসনামলে নতুন করে সংগঠিত হয় ইসলামী ছাত্রসংঘ। নাম বদলে হয় ইসলামী ছাত্রশিবির। ছাত্রশিবিরের প্রথম কেন্দ্রীয় সভাপতি হন মীর কাসেম আলী। এরপর রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের নামে রাবেতা আল ইসলামী গড়ে তোলেন। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর টাকায় আস্তে আস্তে প্রতিষ্ঠা করেন ইসলামী ব্যাংক, ইবনে সিনা ট্রাস্ট ও ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস। জামায়াত ও শিবিরের আয়ের এবং কর্মসংস্থানের বড় উৎস হয়ে দাঁড়ায় এসব প্রতিষ্ঠান।
জামায়াতের কর্মপরিষদ ও নির্বাহী পরিষদ সদস্য হিসেবে অর্থ আদান-প্রদানের মূল দায়িত্বে থাকা মীর কাসেম আলী বর্তমানে দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের চেয়ারম্যান। এ ছাড়া তিনি ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক, ইবনে সিনা ট্রাস্টের সদস্য (প্রশাসন) এবং কেয়ারি হাউজিং ও ইডেন শিপিং লাইন্সের চেয়ারম্যান। তিনি রাবেতা আলম আল ইসলামীর এদেশীয় পরিচালক।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন