সাখাওয়াত হোসেন সুজন
মেয়েদের অন্যতম একটি গুণ হচ্ছে রান্না। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মায়ের হাতের রান্না সে তো সংস্কৃতিরই একটা অংশ। হঠাৎ কোন এক কারণে নিজের মনেই প্রশ্ন জাগল রান্না নিয়ে সরেজমিনে একটি প্রতিবেদন করলে কেমন হয়। যদিও প্রথম মনে হল এটি তেমন ফলপ্রসূ হবে না। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন।
ঢাকা শহরে কয়েকজন সিনিয়র আপুকে জিজ্ঞেস করলাম, আপু কেমন রাঁধেন আপনি। কেউ বলল আমি রাঁধতেই জানি না। কেউ বলল আমি ভাত রাঁনতে আর ডিম ভাঁজতে পারি। এক কোর্সমেট (বিবাহিত) তাকে জিজ্ঞেস করলাম কেমন রাঁধেন। উত্তর শুনে নিজেই লজ্জিত হলাম। তিনি বললেন যে, তিনি রাঁধতেই পারেন না। তার বাসার রান্না, কাজ-কর্ম সব কাজের বুয়াই করেন। তাকে বললাম, ‘এখনতো আমাদের কোন ভাস্তে-ভাস্তি নেই। কিন্তু যখন হবে, তখন কি তারা মায়ের হাতের রান্না ক্ষেতে পারবে ?’ তাকে বলেছিলাম, ‘ভাই বঞ্চিত হোক, কিন্তু বাচ্চারা যেন না হয়।’
আর গৃহিণীদের ব্যপারে ঢা,বি এর টি,এস, সি তে কণ্ঠশীলনের এক বন্ধু নাঈম। সে বলল, ‘ভাবী ঝগড়া করে বাপের বাড়ীতে গেছে আর তাই বড় ভাই( ঢাকা ব্যাংকে চাকরি করে) আমাকে পেয়ে ভীষণ খুশি। আমি নাকি অনেক সুন্দর রাঁধি। ভাবীর রান্না খেয়ে তার নাকি কোনদিন তৃপ্তি মেটে না। ভাবী রাঁধতে জানে না তা না তবে রান্নার থেকেও তার সিরিয়ালে মনোযোগ বেশি। বাচ্চাদেরও দেখে আয়া বুয়ারা।’ তবে কর্মজীবীদের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। তবুও অনেকে অফিস শেষে পরিবারকে রান্না করে খাওয়ালে তৃপ্তি পায়।
ক্লাস টেনের এক ছাত্রকে, বাইরে খেতে দেখে একদিন জিজ্ঞেস করলাম কারণ ? তার জবাব ছিল মায়ের রান্নার থেকে না কি হেটেলের রান্না অনেক ভাল।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন