![]() |
| ড.মুহাম্মাদ ইউনুস |
মেলঅ্যান ভারভিয়ের আজ রোববার সন্ধ্যায় নগরের একটি রেস্তোরাঁয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা।
মেলঅ্যান ভারভিয়ের বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংক এ দেশের ৮০ লাখ নারীর জীবনমান উন্নয়নে এক অতুলনীয় অবদান রেখেছে। এ দেশের বাইরেও আজ এর কার্যকারিতা ছড়িয়ে পড়েছে। ১৯৯৫ সালে হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে এবং কয়েক মাস আগে আমি গ্রামীণ ভিলেজ ঘুরে এসে এর স্বাতন্ত্র্য উপলব্ধি করেছি।’
গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যাপারে সরকারি সিদ্ধান্তের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না, জানতে চাইলে মেলঅ্যান ভারভিয়ের বলেন, ‘আমাদের কাছে বাংলাদেশ ও গ্রামীণ ব্যাংক দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চাই না বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হোক, আবার গ্রামীণ ব্যাংকও কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হোক, সেটাও আমরা চাই না।’
তত্ত্ব্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে এর আগেও অনেকবার বলেছি। আজও বলছি, রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে গঠনমূলক সংলাপের মাধ্যমেই এ সমস্যার সমাধান সম্ভব। আর এভাবেই একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সবার অংশগ্রহণমূলক গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব। আমরা আশা করছি, খুব শিগগিরই এর সুষ্ঠু সমাধান পাওয়া যাবে।’
রাষ্ট্রদূত আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে ইতিমধ্যে অনেক বিদেশি বিনিয়োগকারী শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। আমরা চাই তাঁদের সেই শঙ্কা কেটে গিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে সমৃদ্ধির মাধ্যমে এ দেশ এশিয়ান টাইগার হিসেবে আবির্ভূত হবে।’
ভারভিয়ের আরও বলেন, ‘আমি বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে এসে নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ে সরকারের মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি।’
মেলঅ্যান ভারভিয়ের দুই দিনের রাঙামাটি পার্বত্য জেলা সফর শেষে আজ সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে এসে পৌঁছান। কাল সোমবার চট্টগ্রামে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে ‘তৃণমূল পর্যায়ে নারীর ক্ষমতায়ন’ বিষয়ক সম্মেলনে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন