![]() |
| সাংবাদিক জামাল |
এএসআই মাসুদুর রহমান যশোরের শার্শা উপজেলার গোড়পাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ছিলেন।
এর আগে সাংবাদিক জামাল উদ্দিন হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দুই পুলিশ সদস্যকে বৃহস্পতিবার স্বাভাবিক নিয়মে বদলি করা হয়। তাদের মধ্যে একজন মাসুদুর রহমানকে শনিবার ক্লোজড করা হলো।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী খুনের ঘটনায় পুলিশ সদস্য জড়িত থাকার বিষয়ে তদন্ত করার জন্য পুলিশের মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার খুলনা রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শককে নির্দেশ দিয়েছেন। তার এই নির্দেশের পর শনিবার এএসআই মাসুদুর রহমানকে ক্লোজ করা হয়েছে।
জেলা পুলিশের অপর এক সূত্র জানায়, খুনের ঘটনায় যশোরের শার্শা উপজেলার গোড়পাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মাসুদুর রহমানকে বৃহস্পতিবার রাতে যশোরের মনিরামপুর থানায় এবং কনস্টেবল শহিদুল ইসলামকে ঢাকা মহানগর পুলিশে বদলি করা হয়।এ বিষয়ে যশোরের পুলিশ সুপার কামরুল আহসান বলেন, দুই পুলিশ সদস্যকে বৃহস্পতিবার নিয়মিত বদলি করা হয়েছিল। কিন্তু উপর মহলের নির্দেশে একজনকে শনিবার পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে।
খুনের ঘটনায় পুলিশ সদস্যের জড়িত থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার বলেন, “পুলিশ জড়িত থাকার ব্যাপারে আমাদের হাতে কোনো প্রমাণ নেই। যা আছে তা র্যাবের কাছে। আমরা এ নিয়ে অন্ধকারে আছি। এ বিষয়ে আমরা তদন্ত করবো।”
সাংবাদিক জামাল উদ্দিন যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক গ্রামের কাগজের শার্শা উপজেলার কাশিপুর প্রতিনিধি ছিলেন। গত ১৫ জুন রাতে তিনি খুন হন।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন