পৃথিবীর অন্যান্য দেশের চেয়ে বাংলাদেশে চালের দাম কম বলে দাবি করেছেন খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।
বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “খাদ্য নিরাপত্তার মধ্যে খাদ্যের প্রাপ্যতার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে এটি নিশ্চিত করতে অভ্যন্তরীণ উৎসের পাশাপাশি খাদ্য আমদানি অথবা দাতাদের সহযোগিতা নিতে হয়। তারপরও বাংলাদেশের চালের দাম বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে কম।”
রোববার দুপুরে বিয়াম মিলনায়তনে ‘খাদ্য নিরাপত্তা: কৃষি ও কৃষকের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বেসরকারি সংস্থা ইনসিডিন বাংলাদেশ ও মানুষের জন্য এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
তিনি বলেন, “খাদ্যের সমস্যা মেটাতে সরকার প্রতিবছর ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছে। বিএনপির সময় সারের জন্য কৃষককে প্রাণ দিতে হয়েছে। বর্তমান সরকারের সঙ্গে অন্য সরকারের এখানেই পার্থক্য। গত সাড়ে ৩ বছরে দেশের কোথাও মঙ্গার কোনো খবর পাওয়া যায়নি।”
মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ চিরদিনই খাদ্য ঘাটতির দেশ ছিল। স্বাধীনতার পর থেকেই প্রত্যেক সরকার কৃষির উপর সর্ব্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আসছ। বর্তমান সরকার মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করছে।”
মতবিনিময় সভায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বেসরকারি সংস্থার সদস্যরা কৃষি ও কৃষকেরা নানা সমস্যা মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। তারা এ সময় মন্ত্রীর কাছে কৃষকের সংকট সমাধানে কিছু প্রস্তাবনাও তুলে ধরেন।
সেগুলো হল, এক. কৃষকের কাছ থেকে সরকারের সরাসরি ধান ক্রয়, দুই. এসএমএস সেবার মাধ্যমে কতটুকু সার ও বীজ মজুদ আছে তা কৃষককে জানানো, তিন. কৃষকের নিরাপত্তায় খাদ্য অধিকার রক্ষায় আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইনের বাস্তবায়ন, চার. সহজ শর্তে কৃষিঋণ প্রদান, পাঁচ. উৎপাদনের চেয়ে লাভজনক মূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রির বাজার প্রস্তুত।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, “সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা সম্ভব না। সেখান থেকে ধান কিনতে হলে সরকার যেসব বৈশিষ্ট্য চায়, কৃষক তা পূরণ করতে পারে না। তখন তাদের চাল নিয়ে আসার যাতায়াত ভাড়াটাও নষ্ট হয়। এমনও কৃষক আছেন যাদের ছালাও নেই।”
গুদাম তৈরি করে খাদ্য মজুদ বাড়ানো হবে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, “গুদাম সংকট থাকায় ধানসহ বিভিন্ন দ্রব্য সংগ্রহের সমস্যা হচ্ছে। এ সরকার তাই দেশব্যাপী গুদাম তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু রাতারাতি কোনো সমস্যাই দূর হবে না।”
মন্ত্রী বলেন, “শায়েস্তা খার সময়েও টাকায় ৮ মন চাল পাওয়া গেলেও তখনও খাদ্য সংকট ছিল। অনেকে না খেয়ে নেংটি পরে থাকত।”
বিদ্যুৎ আমদানি করা যায় না দাবি করে তিনি বলেন, “সার কারখানা বন্ধ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। বিদেশী বীজের ব্যবহারের ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, “উন্নত বীজ হলে তা দেশে আসবেই।”
কৃষিঋণের ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, “কৃষি ব্যাংক ১৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। ঋণ প্রদানে কিছু দূর্নীতির অভিযোগ থাকলেও, অধিকাংশ কৃষকই ঋণ সুবিধা ভোগ করেন।”
কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ি কমিটির সভাপতি শওকত মোমেন শাহজাহান বলেন, “ভূমি, বন ও পরিবেশ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয় মিলে কৃষি জমি সংস্কার আইন করছে। জনগণ এ সরকারকে দেশের ভাগ্য পরিবর্তনের দায়িত্ব দিয়েছে। কিন্তু এমন একটি অবস্থানে আছি, যেখানে উৎপাদক ও ভোক্তা দুই জনকেই দরকার।”
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খন্দকার শামসুল হক রেজা, জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সহ সভাপতি মো: নাজিমুদ্দিন ও ইনসিডিন বাংলাদেশের পরিচালক এ কে এম মাসুদ আলী।
বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “খাদ্য নিরাপত্তার মধ্যে খাদ্যের প্রাপ্যতার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে এটি নিশ্চিত করতে অভ্যন্তরীণ উৎসের পাশাপাশি খাদ্য আমদানি অথবা দাতাদের সহযোগিতা নিতে হয়। তারপরও বাংলাদেশের চালের দাম বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে কম।”
রোববার দুপুরে বিয়াম মিলনায়তনে ‘খাদ্য নিরাপত্তা: কৃষি ও কৃষকের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বেসরকারি সংস্থা ইনসিডিন বাংলাদেশ ও মানুষের জন্য এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
তিনি বলেন, “খাদ্যের সমস্যা মেটাতে সরকার প্রতিবছর ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছে। বিএনপির সময় সারের জন্য কৃষককে প্রাণ দিতে হয়েছে। বর্তমান সরকারের সঙ্গে অন্য সরকারের এখানেই পার্থক্য। গত সাড়ে ৩ বছরে দেশের কোথাও মঙ্গার কোনো খবর পাওয়া যায়নি।”
মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ চিরদিনই খাদ্য ঘাটতির দেশ ছিল। স্বাধীনতার পর থেকেই প্রত্যেক সরকার কৃষির উপর সর্ব্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আসছ। বর্তমান সরকার মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করছে।”
মতবিনিময় সভায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বেসরকারি সংস্থার সদস্যরা কৃষি ও কৃষকেরা নানা সমস্যা মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। তারা এ সময় মন্ত্রীর কাছে কৃষকের সংকট সমাধানে কিছু প্রস্তাবনাও তুলে ধরেন।
সেগুলো হল, এক. কৃষকের কাছ থেকে সরকারের সরাসরি ধান ক্রয়, দুই. এসএমএস সেবার মাধ্যমে কতটুকু সার ও বীজ মজুদ আছে তা কৃষককে জানানো, তিন. কৃষকের নিরাপত্তায় খাদ্য অধিকার রক্ষায় আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইনের বাস্তবায়ন, চার. সহজ শর্তে কৃষিঋণ প্রদান, পাঁচ. উৎপাদনের চেয়ে লাভজনক মূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রির বাজার প্রস্তুত।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, “সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা সম্ভব না। সেখান থেকে ধান কিনতে হলে সরকার যেসব বৈশিষ্ট্য চায়, কৃষক তা পূরণ করতে পারে না। তখন তাদের চাল নিয়ে আসার যাতায়াত ভাড়াটাও নষ্ট হয়। এমনও কৃষক আছেন যাদের ছালাও নেই।”
গুদাম তৈরি করে খাদ্য মজুদ বাড়ানো হবে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, “গুদাম সংকট থাকায় ধানসহ বিভিন্ন দ্রব্য সংগ্রহের সমস্যা হচ্ছে। এ সরকার তাই দেশব্যাপী গুদাম তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু রাতারাতি কোনো সমস্যাই দূর হবে না।”
মন্ত্রী বলেন, “শায়েস্তা খার সময়েও টাকায় ৮ মন চাল পাওয়া গেলেও তখনও খাদ্য সংকট ছিল। অনেকে না খেয়ে নেংটি পরে থাকত।”
বিদ্যুৎ আমদানি করা যায় না দাবি করে তিনি বলেন, “সার কারখানা বন্ধ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। বিদেশী বীজের ব্যবহারের ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, “উন্নত বীজ হলে তা দেশে আসবেই।”
কৃষিঋণের ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, “কৃষি ব্যাংক ১৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। ঋণ প্রদানে কিছু দূর্নীতির অভিযোগ থাকলেও, অধিকাংশ কৃষকই ঋণ সুবিধা ভোগ করেন।”
কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ি কমিটির সভাপতি শওকত মোমেন শাহজাহান বলেন, “ভূমি, বন ও পরিবেশ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয় মিলে কৃষি জমি সংস্কার আইন করছে। জনগণ এ সরকারকে দেশের ভাগ্য পরিবর্তনের দায়িত্ব দিয়েছে। কিন্তু এমন একটি অবস্থানে আছি, যেখানে উৎপাদক ও ভোক্তা দুই জনকেই দরকার।”
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খন্দকার শামসুল হক রেজা, জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সহ সভাপতি মো: নাজিমুদ্দিন ও ইনসিডিন বাংলাদেশের পরিচালক এ কে এম মাসুদ আলী।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন