জনগণের রায়ে ক্ষমতায় গেলে বিএনপি বিদ্যুতের দাম কমাবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, শুধু দাম কমানোই নয়, জ্বালানি ও বিদ্যুতের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ক্ষমতায় আসার প্রথম দিন থেকেই কাজ শুরু করবে তার সরকার।
শনিবার দুপুরে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের ইআরসি মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট: উত্তরণের পথ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি একথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে গোলটেবিল বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আ ন হ আখতার হোসেন।
মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, “বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যার সমাধান নয় বরং দুর্নীতির মাধ্যমে এ খাত থেকে টাকা কামানোর জন্য কুইক রেন্টাল প্রকল্প চালু করে।”
তিনি আরো বলেন, “শুধু বিদ্যুৎ খাত নয়, অর্থনীতিসহ সব ক্ষেত্রে তারা লুটপাট করছে।” পদ্মা সেতুর পর এখন ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করছে। সরকার এখন আকণ্ঠ দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মতো এ সরকারও গোটা বাংলাদেশকে লুট করে নেয়ার ষড়যন্ত্র করছে বলেও অভিযোগ করেন ফখরুল।
পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পের ব্যাপারে সরকার রাশিয়ার সঙ্গে যে চুক্তি করেছে তাতে কী আছে তা স্পষ্ট করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
তিনি আরো বলেন, “দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি আগামী দিনে ক্ষমতায় গেলে ব্যয় কমানোর মাধ্যমে বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানো হবে।”
গোলটেবিল বৈঠকের প্রস্তাবগুলো লিপিবদ্ধ করে বিএনপির নীতি নির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা করা সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানান মির্জা ফখরুল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, “সরকারের অব্যবস্থাপনার কারণে দেশে চরমভাবে বিদ্যুৎ সংকট চলছে। চুরি-চামারি করার জন্য কুইক রেন্টাল প্রকল্পের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে এ সংকট আরো ঘনীভূত হয়েছে।”
সংসদে দায়মুক্তি দেয়ার কারণে এ প্রকল্পে দুর্নীতি আরো বেশি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, “কুইক রেন্টালের কারণে ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৩৪ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে সরকার। অথচ এই পরিমাণ টাকা পুরানো বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো সংস্কার করলে কয়েক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হতো।”
গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলন ও ব্যবহারের বিষয়ে সরকারকে আরো মনযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। কয়লা উৎপাদনের ব্যাপারে আরো মনযোগী হতে সরকারকে পরামর্শ দিয়ে উন্মুক্তভাবে কয়লা উত্তেলনের বিরোধিতা করেন খন্দকার মোশাররফ।
আলোচনায় অংশ নেন প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম, সাজ্জাদ আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মাহবুবু উল্লাহসহ বেশ কয়েকজন সাবেক আমলা।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক খন্দকার মোস্তাহিদুর রহমান বলেন, ‘‘জ্বালানি সংকট মোকাবেলা করতে একটি সমন্বিত জ্বালানি নীতি তৈরি করতে হবে। আর জ্বালানি খাতে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য শুধু ভারত নয়, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও চীনের সঙ্গে পারস্পারিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে হবে।’’
সরকার দলীয় ও আত্মীয়স্বজনকে দুর্নীতি করার সুযোগ করে দিতে কুইক রেন্টালের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শনিবার দুপুরে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের ইআরসি মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট: উত্তরণের পথ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি একথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে গোলটেবিল বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আ ন হ আখতার হোসেন।
মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, “বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যার সমাধান নয় বরং দুর্নীতির মাধ্যমে এ খাত থেকে টাকা কামানোর জন্য কুইক রেন্টাল প্রকল্প চালু করে।”
তিনি আরো বলেন, “শুধু বিদ্যুৎ খাত নয়, অর্থনীতিসহ সব ক্ষেত্রে তারা লুটপাট করছে।” পদ্মা সেতুর পর এখন ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করছে। সরকার এখন আকণ্ঠ দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মতো এ সরকারও গোটা বাংলাদেশকে লুট করে নেয়ার ষড়যন্ত্র করছে বলেও অভিযোগ করেন ফখরুল।
পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পের ব্যাপারে সরকার রাশিয়ার সঙ্গে যে চুক্তি করেছে তাতে কী আছে তা স্পষ্ট করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
তিনি আরো বলেন, “দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি আগামী দিনে ক্ষমতায় গেলে ব্যয় কমানোর মাধ্যমে বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানো হবে।”
গোলটেবিল বৈঠকের প্রস্তাবগুলো লিপিবদ্ধ করে বিএনপির নীতি নির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা করা সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানান মির্জা ফখরুল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, “সরকারের অব্যবস্থাপনার কারণে দেশে চরমভাবে বিদ্যুৎ সংকট চলছে। চুরি-চামারি করার জন্য কুইক রেন্টাল প্রকল্পের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে এ সংকট আরো ঘনীভূত হয়েছে।”
সংসদে দায়মুক্তি দেয়ার কারণে এ প্রকল্পে দুর্নীতি আরো বেশি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, “কুইক রেন্টালের কারণে ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৩৪ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে সরকার। অথচ এই পরিমাণ টাকা পুরানো বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো সংস্কার করলে কয়েক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হতো।”
গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলন ও ব্যবহারের বিষয়ে সরকারকে আরো মনযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। কয়লা উৎপাদনের ব্যাপারে আরো মনযোগী হতে সরকারকে পরামর্শ দিয়ে উন্মুক্তভাবে কয়লা উত্তেলনের বিরোধিতা করেন খন্দকার মোশাররফ।
আলোচনায় অংশ নেন প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম, সাজ্জাদ আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মাহবুবু উল্লাহসহ বেশ কয়েকজন সাবেক আমলা।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক খন্দকার মোস্তাহিদুর রহমান বলেন, ‘‘জ্বালানি সংকট মোকাবেলা করতে একটি সমন্বিত জ্বালানি নীতি তৈরি করতে হবে। আর জ্বালানি খাতে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য শুধু ভারত নয়, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও চীনের সঙ্গে পারস্পারিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে হবে।’’
সরকার দলীয় ও আত্মীয়স্বজনকে দুর্নীতি করার সুযোগ করে দিতে কুইক রেন্টালের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন