২৯০ কোটি আমেরিকান ডলারে পদ্মা সেতু নির্মাণে মালেশিয়ার চূড়ান্ত প্রস্তাবে বাংলাদেশ খুশি। মালেশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বারনামা’কে শুক্রবার এমনটি জানিয়েছেন দেশটির ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সামি ভেলু।
তবে সোয়া ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতু প্রকল্পের খরচ নির্ধারণে চূড়ান্ত দরকষাকষি শেষ হতে কমপক্ষে আরো ছয় সপ্তাহ লাগতে পারে, জানিয়েছেন সামি ভেলু।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, মালেয়শিয় প্রস্তাবের একইসঙ্গে সরকার নিজস্ব অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণের বিকল্প চিন্তাও করছে। তবে সেক্ষেত্রে সেতুটি বহুমুখী নয়, বরং শুধু সড়ক সেতু হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, সেক্ষেত্রে রেল লাইন থাকবে না সেতুটিতে।
প্রকল্পের আইনগত, কারিগরী ও আর্থিক দিক সহ চূড়ান্ত প্রস্তাব গত মাসেই সরকারের কাছে পেশ করে মালেশিয়া। এক্সিম ব্যাংক অফ মালেয়িশা’র এতে অর্থায়ন ব্যবস্থাপনায় প্রধান উদ্যোক্তা হবার কথা রয়েছে।
গত এপ্রিলে দুই দেশের সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুসারে, প্রকল্পটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) মালিকানায় বিওটি (বিল্ড-অপারেট-অউন-ট্রান্সফার) পদ্ধতিতে বাস্তবায়িত হবার কথা। অর্থাত নির্মাতারা নিজস্ব অর্থায়ন যোগাড় করে প্রকল্প বাস্তবায়নের পর তার মালিক হিসেবে সেতুটি পরিচালনা করবে নিজেদের বিনিয়োগ উঠিয়ে নিয়ে সরকারের কাছে মালিকানা হস্তান্তর করার আগ পর্যন্ত।
বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের অন্যতম প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এই সেতু প্রকল্পটিতে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে বাংলাদেশ সরকার সহযোগিতা করছে না জানিয়ে নিজেদের ১২০ কোটি ডলারের ঋণ বাতিল করে বিশ্বব্যাংক গত জুনে।
ইতোমধ্যেই বিশ্বব্যাংকের শর্ত মেনে আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ অভিযোগের তদ্ন্ত করতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই করতেও রাজি হয়েছে সরকার। যে দু’টি শর্তকে এর আগে ‘অসম্মানজনক’ ও দুদকের স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক মর্মে প্রত্যাখান করেছিল সরকার।
এছাড়া বিশ্বব্যাংকের চতুর্থ শর্ত; তদন্ত চলাকালে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া। এর অংশ হিসেবে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে সরিয়ে দেয়া হলেও এখনো বাকি আছেন দুজন। এদের একজন; সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মোশাররফ হোসেন ভুইয়া’র ব্যাপারে আংশিক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তাকে এ দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বাংলাদেশ অর্থনীতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষে’র চেয়ারম্যান পদে দেয়া হয়েছে। যে কারণে বিশ্ব ব্যাংক মনে করছে, সরকারি দায়িত্বে না রাখার শর্ত পালিত হয়নি।
এছাড়া বিশ্বব্যাংকের সন্দেহের তালিকায় আছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান। ইআরডি’র সূত্রগুলোতে জানা গেছে, বিশ্বব্যাংকের এ সন্দেহের কথা গত ২৬ জুলাই অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জানিয়েছেন জাইকা’র ঢাকাস্থ প্রতিনিধি কেই তোয়ামা।
কিন্তু প্রকল্পের অনিয়ম ও দুর্নীতিবিরোধী উপদেষ্টা হয়েও যখন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে দুর্নীতির, তখনো এই উপদেষ্টা স্বেচ্ছায় পদত্যাগে রাজি নন।
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন স্থগিতের প্রেক্ষিতে প্রকল্পে অন্য অর্থায়নকারীরা- এডিবি ও জাইকা’ও সরে দাড়াচ্ছে। ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সরকার বিশ্বব্যাংক প্রকল্পে না ফেরাতে পারলে তারাও তাদের চুক্তি বাতিল করবে। বিশ্বব্যাংকসহ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়নের অনিশ্চয়তার মধ্যে মালেশিয়ার প্রায় দেড় খরচের প্রকল্প প্রস্তাবও যাচাই করে দেখছে সরকার।
তবে সোয়া ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতু প্রকল্পের খরচ নির্ধারণে চূড়ান্ত দরকষাকষি শেষ হতে কমপক্ষে আরো ছয় সপ্তাহ লাগতে পারে, জানিয়েছেন সামি ভেলু।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, মালেয়শিয় প্রস্তাবের একইসঙ্গে সরকার নিজস্ব অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণের বিকল্প চিন্তাও করছে। তবে সেক্ষেত্রে সেতুটি বহুমুখী নয়, বরং শুধু সড়ক সেতু হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, সেক্ষেত্রে রেল লাইন থাকবে না সেতুটিতে।
প্রকল্পের আইনগত, কারিগরী ও আর্থিক দিক সহ চূড়ান্ত প্রস্তাব গত মাসেই সরকারের কাছে পেশ করে মালেশিয়া। এক্সিম ব্যাংক অফ মালেয়িশা’র এতে অর্থায়ন ব্যবস্থাপনায় প্রধান উদ্যোক্তা হবার কথা রয়েছে।
গত এপ্রিলে দুই দেশের সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুসারে, প্রকল্পটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) মালিকানায় বিওটি (বিল্ড-অপারেট-অউন-ট্রান্সফার) পদ্ধতিতে বাস্তবায়িত হবার কথা। অর্থাত নির্মাতারা নিজস্ব অর্থায়ন যোগাড় করে প্রকল্প বাস্তবায়নের পর তার মালিক হিসেবে সেতুটি পরিচালনা করবে নিজেদের বিনিয়োগ উঠিয়ে নিয়ে সরকারের কাছে মালিকানা হস্তান্তর করার আগ পর্যন্ত।
বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের অন্যতম প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এই সেতু প্রকল্পটিতে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে বাংলাদেশ সরকার সহযোগিতা করছে না জানিয়ে নিজেদের ১২০ কোটি ডলারের ঋণ বাতিল করে বিশ্বব্যাংক গত জুনে।
ইতোমধ্যেই বিশ্বব্যাংকের শর্ত মেনে আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ অভিযোগের তদ্ন্ত করতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই করতেও রাজি হয়েছে সরকার। যে দু’টি শর্তকে এর আগে ‘অসম্মানজনক’ ও দুদকের স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক মর্মে প্রত্যাখান করেছিল সরকার।
এছাড়া বিশ্বব্যাংকের চতুর্থ শর্ত; তদন্ত চলাকালে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া। এর অংশ হিসেবে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে সরিয়ে দেয়া হলেও এখনো বাকি আছেন দুজন। এদের একজন; সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মোশাররফ হোসেন ভুইয়া’র ব্যাপারে আংশিক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তাকে এ দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বাংলাদেশ অর্থনীতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষে’র চেয়ারম্যান পদে দেয়া হয়েছে। যে কারণে বিশ্ব ব্যাংক মনে করছে, সরকারি দায়িত্বে না রাখার শর্ত পালিত হয়নি।
এছাড়া বিশ্বব্যাংকের সন্দেহের তালিকায় আছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান। ইআরডি’র সূত্রগুলোতে জানা গেছে, বিশ্বব্যাংকের এ সন্দেহের কথা গত ২৬ জুলাই অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জানিয়েছেন জাইকা’র ঢাকাস্থ প্রতিনিধি কেই তোয়ামা।
কিন্তু প্রকল্পের অনিয়ম ও দুর্নীতিবিরোধী উপদেষ্টা হয়েও যখন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে দুর্নীতির, তখনো এই উপদেষ্টা স্বেচ্ছায় পদত্যাগে রাজি নন।
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন স্থগিতের প্রেক্ষিতে প্রকল্পে অন্য অর্থায়নকারীরা- এডিবি ও জাইকা’ও সরে দাড়াচ্ছে। ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সরকার বিশ্বব্যাংক প্রকল্পে না ফেরাতে পারলে তারাও তাদের চুক্তি বাতিল করবে। বিশ্বব্যাংকসহ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়নের অনিশ্চয়তার মধ্যে মালেশিয়ার প্রায় দেড় খরচের প্রকল্প প্রস্তাবও যাচাই করে দেখছে সরকার।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন