কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে ইসলামী ও সমমনা ১২ দলের সকাল-সন্ধ্যা হরতাল চলছে।গত রাত থেকেই সারা ঢাকা জুড়ে অনবস্থান নেয় পুলিশ।ফলে অনেক পুলিশ সদস্যই রাতে ঘুমাতে পারেননি।পুরো ঢাকা শহরকেই নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে।
রোববার সকাল থেকে অফিসগামী মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেলেও তা অন্য দিনের চেয়ে কম। রাজধানীতে যানবাহনও কম দেখা গেছে।
সকালে দূর পাল্লার যান চলাচলও ছিল সীমিত। তবে কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে গেছে অধিকাংশ ট্রেন।
ভোর ৬টা থেকে হরতাল শুরু হলেও রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশকে সতর্ক
অবস্থান নিতে দেখা যায় ভোর ৫টা থেকেই। পল্টন, বায়তুল মোকাররম, জাতীয় প্রেস
ক্লাব ও হাই কোর্ট মোড় এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে শনিবার থেকেই।
মহাসমাবেশ করতে না দেয়া, মানববন্ধনে পুলিশি হামলা এবং আটক নেতাদের মুক্তির
দাবিতে রোববার সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ঘোষণা দেয় ইসলামী ও সমমনা ১২ দল।
শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সমাবেশে হরতালের ঘোষণা দেন খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা জাফরুল্লাহ খান।
এর আগে শনিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মহানবী সা.কে নিয়ে
অবমাননাকর চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করে ইসলামী সংগঠনের
নেতাকর্মীরা। পরে মুসলিম সংগঠনগুলো মিছিল করতে চাইলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়।
এতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
সংঘর্ষে পুলিশ ও সাংবাদিকসহ ৫০ জনেরও বেশি লোক আহত হয়েছেন। আর খেলাফত
আন্দোলনের আমির শাহ আহমদ উল্লাহ আশরাফ ও ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব নেজামীসহ
৭৭ নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ।

0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন