বিএনপির চেয়ারপার্সন বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া বলেছেন, পদ্মাসেতু
আওয়ামী লীগের দুর্নীতির জন্যই হয়নি। বিএনপি সরকার যমুনা সেতুসহ বড় বড় সেতু
করেছে। আমরা ক্ষমতায় গেলে দু’টি পদ্মাসেতু করবো।
তিনি বলেন, ‘‘আমরা সেতুসহ সব ধরনের উন্নয়ন কাজ সম্পূর্ণ করি, আর আওয়ামী লীগ সেগুলোর নামফলক তুলে দিয়ে তাদের কৃতিত্ব দাবি করে। আমি ক্ষমতায় আসার আগে যা যা করবো বলেছিলাম সবই করেছি। এবার বিএনপিসহ আঠারো দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে সব করবো।’’
সোমবার বিকেলে বরিশাল বিভাগীয় জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দানকালে এসব কথা বলেন খালেদা জিয়া। বরিশাল নগরীর বেলস পার্ক মাঠের এই জনসভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নগর বিএনপির সভাপতি মজিবুর রহমান সরোয়ার।
খালেদা বলেন, ‘‘এই সরকার অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলে ক্ষমতায় এসেছিল। অনেক কিছু করবে বলেছিল। কিছুই করেনি। যা করেছে নিজেদের জন্য।’’
‘‘বরিশালেও কোনো উন্নয়ন আমি দেখতে পাচ্ছি না। এই সরকার চার বছরে বরিশালের জন্য কিছুই করেনি।’’
খালেদা আরো বলেন, ‘‘আওয়ামী লীগের লক্ষ্য লুটপাট করা। এই সরকারের বিরুদ্ধে এখন বিদেশিরাও দুর্নীতির তদন্ত করছেন। চোরদের দিয়ে দেশের উন্নয়ন হয় না। এই সরকারকে দিয়েও কোনো উন্নয়ন হবে না।’’
খালেদা জিয়া আরো বলেন, ‘‘আজ প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনীর পাশাপাশি বিচার বিভাগকে পর্যন্ত দলীয়করণ করা হয়েছে। বিচার বিভাগে দলীয় লোকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সেজন্যই ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী অপরাধীদের ধরা হয় না। আর আমাদের নেতাকর্মীদের কিছু না হতেই মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়, গ্রেফতার করা হয়। এমনকি জামিনও দেওয়া হয় না।’’
আওয়ামী লীগ দুর্নীতিবাজ ও বিশ্বচোরের সরকার বলে অভিযোগ করে খালেদা বলেন, ‘‘সারা দেশে এখন একই শোর, আওয়ামী লীগ হলো বিশ্ব চোর।’’
‘‘এই সরকারের মূল নীতি হচ্ছে, দুর্নীতি, লুটপাট, গুম আর খুন। তাই তাদের হাতে শুধু রক্ত আর লুটপাট করা সম্পদ।’’ বলেও মন্তব্য করেন বিরোধী দলীয় নেতা।
খালেদা জিয়া বলেন, এই সরকার আদালতের দোহাই দিয়ে মিথ্যা কথা বলে সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করেছে। অথচ আদালতও আরো দুই মেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাখার কথা বলেছিলেন। এখন আবার তাদের দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের পাঁয়তারা চালাচ্ছেন। এমনকি বর্তমান এমপিরাও পদত্যাগ না করেই নির্বাচন করতে চাচ্ছে এই সরকার।
এ ধরনের ব্যবস্থা বিশ্বের কোথাও নেই বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের অধীনে এ দেশে কোনো নির্বাচন দেওয়া হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না।
তিনি বলেন, এই মহাচোর, খুনি, সন্ত্রাসীদের সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের কোনো উন্নয়ন হবে না, দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই একমাত্র সমাধান হচ্ছে, এ সরকারের পতন ঘটিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল এবং তার অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি তথা ১৮ দলীয় জোটকে ক্ষমতায় আনা।
বিএনপিকে মুক্তিযোদ্ধাদের দল ও মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি বলে উল্লেখ করে ক্ষমতায় গেলে উন্নয়ন, সন্ত্রাস দূর, জঙ্গি নির্মূলসহ সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে একটি আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ গড়ারও প্রতিশ্রুতি দেন খালেদা জিয়া। তিনি কুয়াকাটা ও কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা, বরিশাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি কলেজ নির্মাণসহ দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, এনপিপির চেয়ারম্যান শওকত হোসেন নীলু, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব আব্দুল লতিফ নেজামী। স্থানীয় নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি আহসান হাবিব কামাল ও সাধারণ সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন এবং বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি মেজবাহউদ্দিন ফরহাদ এমপি ও সাধারণ সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান প্রমুখ।
মঞ্চে ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ বীরবিক্রম, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, কেন্দ্রীয় নেতা হাফিজ ইব্রাহিম, কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ আহমেদ তালুকদার, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম রাজন, বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, খেলাফত মজলিসের চেয়ারম্যান মওলানা মুহাম্মদ ইসাহাক, বাংলাদেশ ন্যাপের সভাপতি জেবেল রহমান গানি, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনডিপির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্ত্তুজা, ইসলামিক পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মবিন, পিপলস পার্টির সভাপতি গরিবে নেওয়াজ।
তিনি বলেন, ‘‘আমরা সেতুসহ সব ধরনের উন্নয়ন কাজ সম্পূর্ণ করি, আর আওয়ামী লীগ সেগুলোর নামফলক তুলে দিয়ে তাদের কৃতিত্ব দাবি করে। আমি ক্ষমতায় আসার আগে যা যা করবো বলেছিলাম সবই করেছি। এবার বিএনপিসহ আঠারো দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে সব করবো।’’
সোমবার বিকেলে বরিশাল বিভাগীয় জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দানকালে এসব কথা বলেন খালেদা জিয়া। বরিশাল নগরীর বেলস পার্ক মাঠের এই জনসভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নগর বিএনপির সভাপতি মজিবুর রহমান সরোয়ার।
খালেদা বলেন, ‘‘এই সরকার অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলে ক্ষমতায় এসেছিল। অনেক কিছু করবে বলেছিল। কিছুই করেনি। যা করেছে নিজেদের জন্য।’’
‘‘বরিশালেও কোনো উন্নয়ন আমি দেখতে পাচ্ছি না। এই সরকার চার বছরে বরিশালের জন্য কিছুই করেনি।’’
খালেদা আরো বলেন, ‘‘আওয়ামী লীগের লক্ষ্য লুটপাট করা। এই সরকারের বিরুদ্ধে এখন বিদেশিরাও দুর্নীতির তদন্ত করছেন। চোরদের দিয়ে দেশের উন্নয়ন হয় না। এই সরকারকে দিয়েও কোনো উন্নয়ন হবে না।’’
খালেদা জিয়া আরো বলেন, ‘‘আজ প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনীর পাশাপাশি বিচার বিভাগকে পর্যন্ত দলীয়করণ করা হয়েছে। বিচার বিভাগে দলীয় লোকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সেজন্যই ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী অপরাধীদের ধরা হয় না। আর আমাদের নেতাকর্মীদের কিছু না হতেই মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়, গ্রেফতার করা হয়। এমনকি জামিনও দেওয়া হয় না।’’
আওয়ামী লীগ দুর্নীতিবাজ ও বিশ্বচোরের সরকার বলে অভিযোগ করে খালেদা বলেন, ‘‘সারা দেশে এখন একই শোর, আওয়ামী লীগ হলো বিশ্ব চোর।’’
‘‘এই সরকারের মূল নীতি হচ্ছে, দুর্নীতি, লুটপাট, গুম আর খুন। তাই তাদের হাতে শুধু রক্ত আর লুটপাট করা সম্পদ।’’ বলেও মন্তব্য করেন বিরোধী দলীয় নেতা।
খালেদা জিয়া বলেন, এই সরকার আদালতের দোহাই দিয়ে মিথ্যা কথা বলে সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করেছে। অথচ আদালতও আরো দুই মেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাখার কথা বলেছিলেন। এখন আবার তাদের দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের পাঁয়তারা চালাচ্ছেন। এমনকি বর্তমান এমপিরাও পদত্যাগ না করেই নির্বাচন করতে চাচ্ছে এই সরকার।
এ ধরনের ব্যবস্থা বিশ্বের কোথাও নেই বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের অধীনে এ দেশে কোনো নির্বাচন দেওয়া হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না।
তিনি বলেন, এই মহাচোর, খুনি, সন্ত্রাসীদের সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের কোনো উন্নয়ন হবে না, দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই একমাত্র সমাধান হচ্ছে, এ সরকারের পতন ঘটিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল এবং তার অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি তথা ১৮ দলীয় জোটকে ক্ষমতায় আনা।
বিএনপিকে মুক্তিযোদ্ধাদের দল ও মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি বলে উল্লেখ করে ক্ষমতায় গেলে উন্নয়ন, সন্ত্রাস দূর, জঙ্গি নির্মূলসহ সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে একটি আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ গড়ারও প্রতিশ্রুতি দেন খালেদা জিয়া। তিনি কুয়াকাটা ও কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা, বরিশাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি কলেজ নির্মাণসহ দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, এনপিপির চেয়ারম্যান শওকত হোসেন নীলু, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব আব্দুল লতিফ নেজামী। স্থানীয় নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি আহসান হাবিব কামাল ও সাধারণ সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন এবং বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি মেজবাহউদ্দিন ফরহাদ এমপি ও সাধারণ সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান প্রমুখ।
মঞ্চে ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ বীরবিক্রম, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, কেন্দ্রীয় নেতা হাফিজ ইব্রাহিম, কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ আহমেদ তালুকদার, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম রাজন, বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, খেলাফত মজলিসের চেয়ারম্যান মওলানা মুহাম্মদ ইসাহাক, বাংলাদেশ ন্যাপের সভাপতি জেবেল রহমান গানি, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনডিপির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্ত্তুজা, ইসলামিক পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মবিন, পিপলস পার্টির সভাপতি গরিবে নেওয়াজ।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন