টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে দলের পরাজয়ে নেতৃত্ব
ছেড়ে দিলেন মাহেলা জয়াবর্ধনে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আনুষ্ঠানিক জানিয়ে
দেন, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তিনি আর শ্রীলঙ্কার অধিনায়কত্ব করবেন না। তবে
বাকি দুই ধরণের ক্রিকেটে অধিনায়কত্বে থাকছেন তিনি।
তবে অধিনায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোকে আকষ্মিক কোনো সিদ্ধান্ত নয় বলে
দাবি করেন মাহেলা। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে লঙ্কান অধিনায়ক
বলেন,‘টুর্নামেণ্ট শুরুর আগেই নির্বাচকদের সঙ্গে আমার আলোচনা হয়েছিলো যে
বিশ্বকাপের পর টি- টোয়েন্টির অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেব। আমি মনে করি
শ্রীলঙ্কাকে সামনে এগিয়ে নিতে আমাদের একজন তরুণ নেতৃত্ব দরকার। টি-
টোয়েন্টি ফরম্যাট দিয়ে অধিনায়কত্ব শুরু করা কারো জন্য দারুণ সম্ভাবনা
তৈরী করবে। আমি নির্বাচকদের সঙ্গে কথা বলেছি এবং তারাও আমার এই সিদ্ধান্তে
সন্তুষ্ট।’
মাহেলার ছেড়ে দেওয়া স্থানে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসকে দেখা যেতে পারে। নেতৃত্বভার গ্রহনে প্রস্তুতির জন্য তাকে ১৮ মাস ধরেই সহ-অধিনায়কের দায়িত্বে রাখা হয়েছে। টি-টোয়েন্টিতে ম্যাথুসের অধিনায়কত্ব প্রায় নিশ্চিতই বলা চলে।
মাহেলা এর আগেও অধিনায়কত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছিলেন। ২০০৯ সালে সব ধরনের ক্রিকেট থেকেই সরে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিলকারতেœ দিলশান দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোয় মাহেলাকে আবারো অধিনায়ক করা হয়। দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নিলেও দলের তরুণদের হাতে নেতৃত্বভার ছেড়ে জন্য এটাকে অন্তবর্তী দায়িত্ব হিসেবেই দেখছিলেন ৩৫ বছরের এই ক্রিকেটার।
ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদত্যাগ করা শ্রীলঙ্কা অধিনায়কদের জন্য বিরল ঘটনা হয়। দিলশানের ও মাহেলার পথ অনুসরণ করেই গত বছর অধিনায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন কুমার সাঙ্গাকারা। একদিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে দল পরাজিত হলে নেতৃত্ব¡ ছেড়ে দেন তিনি।
টি- টোয়েন্টিতে অধিনায়কের দায়িত্ব ছেড়ে দিলেও তিনি এই ফরম্যাটে খেলা চালিয়ে যেতে যান বলে জানিয়েছেন মাহেলা। একই সঙ্গে একদিন ও টেস্ট অধিনায়কত্ব নিয়েও ভাবছেন বলে জানান তিনি। জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার অস্ট্রেলিয়া সফরের পর তিনি ওই দুই ফরম্যাটেও দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মাহেলা বলেন,‘ অস্ট্রেলিয়া সফর পর্যন্ত আমি অধিনায়ক হিসেবে থাকছি। এরপরই পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে চিন্তা করবো আমি।’
মাহেলার ছেড়ে দেওয়া স্থানে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসকে দেখা যেতে পারে। নেতৃত্বভার গ্রহনে প্রস্তুতির জন্য তাকে ১৮ মাস ধরেই সহ-অধিনায়কের দায়িত্বে রাখা হয়েছে। টি-টোয়েন্টিতে ম্যাথুসের অধিনায়কত্ব প্রায় নিশ্চিতই বলা চলে।
মাহেলা এর আগেও অধিনায়কত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছিলেন। ২০০৯ সালে সব ধরনের ক্রিকেট থেকেই সরে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিলকারতেœ দিলশান দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোয় মাহেলাকে আবারো অধিনায়ক করা হয়। দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নিলেও দলের তরুণদের হাতে নেতৃত্বভার ছেড়ে জন্য এটাকে অন্তবর্তী দায়িত্ব হিসেবেই দেখছিলেন ৩৫ বছরের এই ক্রিকেটার।
ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদত্যাগ করা শ্রীলঙ্কা অধিনায়কদের জন্য বিরল ঘটনা হয়। দিলশানের ও মাহেলার পথ অনুসরণ করেই গত বছর অধিনায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন কুমার সাঙ্গাকারা। একদিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে দল পরাজিত হলে নেতৃত্ব¡ ছেড়ে দেন তিনি।
টি- টোয়েন্টিতে অধিনায়কের দায়িত্ব ছেড়ে দিলেও তিনি এই ফরম্যাটে খেলা চালিয়ে যেতে যান বলে জানিয়েছেন মাহেলা। একই সঙ্গে একদিন ও টেস্ট অধিনায়কত্ব নিয়েও ভাবছেন বলে জানান তিনি। জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার অস্ট্রেলিয়া সফরের পর তিনি ওই দুই ফরম্যাটেও দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মাহেলা বলেন,‘ অস্ট্রেলিয়া সফর পর্যন্ত আমি অধিনায়ক হিসেবে থাকছি। এরপরই পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে চিন্তা করবো আমি।’


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন