প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন , “আমরা গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছি,
গণতন্ত্র ধ্বংস হতে দেব না । আবার এক-এগারোর অমানিশা চাই না। তত্ত্বাবধায়ক
নামের ওই সরকার ছাত্র, শিক্ষক, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ীদের উপর কী নির্যাতন
জুলুম চালিয়েছে তা দেশবাসীর জানা আছে।”
ব্যারিস্টার রফিক উল হকের নাম না নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হওয়ার অনেকেরই খায়েশ আছে। তারা সুযোগের অপেক্ষায় আছেন কীভাবে গাড়িতে পতাকা উড়ানো যায়। কিন্তু গাড়িতে পতাকা ওড়ানোর খায়েশ পূরণ করতে হলে রাজনীতিতে নামতে হবে এবং ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হতে হবে।”
শনিবার দুপুরে গণভবনে দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে আমাদের অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে। সেই গণতন্ত্র ধ্বংস হোক তা চাই না। দেশে গণতন্ত্র অক্ষুণ্ণ রাখতে দেশবাসীর সহযোগিতা চাই।”
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা ইসলামের শিক্ষা বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, “আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি চাই। কোনো সাম্প্রদায়িক সংঘাত চাই না। আমরা অসম্প্রদায়িক নীতিতে বিশ্বাসী। এ দেশের সকল ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে। কেউ কোনো হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। সব মানুষ স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করবে এটাই আমরা চাই।”
আগামী নির্বাচন দলীয় সরকারের অধীনে হবে এমন ইঙ্গিত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর সারা দেশে ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা, সিটি করপোরেশনসহ কয়েকটি উপনির্বাচন হয়েছে। কোনো নির্বাচন নিয়ে কেউই প্রশ্ন তুলতে পারেনি। জনগণ তাদের ভোটের অধিকার ফিরে পেয়েছে। নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করছে। আগামী নির্বাচনও অবাধ ও সুষ্ঠু হবে।”
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বিএনপির আমলে ইউপি নির্বাচনের সময় প্রায় ২০০ লোক মারা গেছে। আমাদের আমলে কোনো লোক মারা যাওয়া তো দূরের কথা, কোনো প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন হয়নি। এটাই গণতন্ত্র। এর মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ যে গণতন্ত্রে বিশ্বাসী সেটা প্রমাণ করেছে।
যুদ্ধাপরাধের বিচার যখন একটি পর্যায়ে তখন বিরোধী দল ষড়যন্ত্র শুরু করেছে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একাত্তর সালে আমরা যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করলাম, জাতির জনককে হত্যার পর তাদের দোসর আলবদর-রাজাকারদের গাড়িতে পতাকা তুলে দিল, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী বানাল। তাদের নীতি-আদর্শ নিয়ে দেশ পরিচালনা করল। যখন আমরা সেই স্বাধীনতাবিরোধীদের বিচার শুরু করেছি, তখন বিএনপির জ্বালা শুরু হয়েছে। কারণ তারা যুদ্ধাপরাধীর বিচার চান না।”
আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে দেশের জনগণ কিছু পায়। উত্তরাঞ্চলের সেই চিরচেনা মঙ্গা দূর হয়েছে। আগে মানুষ ভাতের জন্য আবদার করত। আর এখন বলে রাস্তাঘাট ও বিদ্যুৎ চাই। সরকারের সাড়ে তিন বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়ে সাড়ে ৬ হাজার মেগাওয়াট করেছি। মূ্যস্ফীতি ১১-১২ ভাগ থেকে কমিয়ে ৫ ভাগে এনেছি। সারের জন্য আর কৃষককে গুলি খেয়ে মরতে হয় না। সারই কৃষককে খুঁজে বেড়ায়।
মতবিনিময় সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, সতীশ চন্দ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নূহ আলম লেলিন, উপ-দফতর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, কেন্দ্রীয় নেতা এনামুল হক শামীম উপস্থিত ছিলেন। সভা পরিচালনা করেন দিনাজপুর বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি।
সভায় দলীয় সভাপতি উদ্বোধনী ভাষণের পর দিনাজপুর জেলার সব উপজেলা ও থানার সভাপতি-সম্পাদকরা তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী উপজেলা নেতাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য নির্দেশ দেন।
ব্যারিস্টার রফিক উল হকের নাম না নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হওয়ার অনেকেরই খায়েশ আছে। তারা সুযোগের অপেক্ষায় আছেন কীভাবে গাড়িতে পতাকা উড়ানো যায়। কিন্তু গাড়িতে পতাকা ওড়ানোর খায়েশ পূরণ করতে হলে রাজনীতিতে নামতে হবে এবং ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হতে হবে।”
শনিবার দুপুরে গণভবনে দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে আমাদের অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে। সেই গণতন্ত্র ধ্বংস হোক তা চাই না। দেশে গণতন্ত্র অক্ষুণ্ণ রাখতে দেশবাসীর সহযোগিতা চাই।”
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা ইসলামের শিক্ষা বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, “আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি চাই। কোনো সাম্প্রদায়িক সংঘাত চাই না। আমরা অসম্প্রদায়িক নীতিতে বিশ্বাসী। এ দেশের সকল ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে। কেউ কোনো হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। সব মানুষ স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করবে এটাই আমরা চাই।”
আগামী নির্বাচন দলীয় সরকারের অধীনে হবে এমন ইঙ্গিত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর সারা দেশে ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা, সিটি করপোরেশনসহ কয়েকটি উপনির্বাচন হয়েছে। কোনো নির্বাচন নিয়ে কেউই প্রশ্ন তুলতে পারেনি। জনগণ তাদের ভোটের অধিকার ফিরে পেয়েছে। নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করছে। আগামী নির্বাচনও অবাধ ও সুষ্ঠু হবে।”
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বিএনপির আমলে ইউপি নির্বাচনের সময় প্রায় ২০০ লোক মারা গেছে। আমাদের আমলে কোনো লোক মারা যাওয়া তো দূরের কথা, কোনো প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন হয়নি। এটাই গণতন্ত্র। এর মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ যে গণতন্ত্রে বিশ্বাসী সেটা প্রমাণ করেছে।
যুদ্ধাপরাধের বিচার যখন একটি পর্যায়ে তখন বিরোধী দল ষড়যন্ত্র শুরু করেছে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একাত্তর সালে আমরা যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করলাম, জাতির জনককে হত্যার পর তাদের দোসর আলবদর-রাজাকারদের গাড়িতে পতাকা তুলে দিল, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী বানাল। তাদের নীতি-আদর্শ নিয়ে দেশ পরিচালনা করল। যখন আমরা সেই স্বাধীনতাবিরোধীদের বিচার শুরু করেছি, তখন বিএনপির জ্বালা শুরু হয়েছে। কারণ তারা যুদ্ধাপরাধীর বিচার চান না।”
আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে দেশের জনগণ কিছু পায়। উত্তরাঞ্চলের সেই চিরচেনা মঙ্গা দূর হয়েছে। আগে মানুষ ভাতের জন্য আবদার করত। আর এখন বলে রাস্তাঘাট ও বিদ্যুৎ চাই। সরকারের সাড়ে তিন বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়ে সাড়ে ৬ হাজার মেগাওয়াট করেছি। মূ্যস্ফীতি ১১-১২ ভাগ থেকে কমিয়ে ৫ ভাগে এনেছি। সারের জন্য আর কৃষককে গুলি খেয়ে মরতে হয় না। সারই কৃষককে খুঁজে বেড়ায়।
মতবিনিময় সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, সতীশ চন্দ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নূহ আলম লেলিন, উপ-দফতর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, কেন্দ্রীয় নেতা এনামুল হক শামীম উপস্থিত ছিলেন। সভা পরিচালনা করেন দিনাজপুর বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি।
সভায় দলীয় সভাপতি উদ্বোধনী ভাষণের পর দিনাজপুর জেলার সব উপজেলা ও থানার সভাপতি-সম্পাদকরা তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী উপজেলা নেতাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য নির্দেশ দেন।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন