শনিবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে নামাজ আদায় করেছেন।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে শান্তিপূর্ণভাবে পবিত্র ঈদ-উল আযহার নামাজ শুরু হয় ৮টা ৩০ মিনিটে এবং শেষ হয় ৮টা ৫০ মিনিটে।
রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান জাতীয় ঈদগাহে এসে পৌঁছানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই জাতীয় ঈদগাহের প্রধান জামাত শুরু হয়।
জাতীয় পর্যায়ে ঢাকা সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টা ৩০ মিনিটে। এতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব প্রফেসর মাওলানা মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন।
এর আগে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের ভেতরে ও বাইরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি বসানো হয়। এর মাধ্যমে পুরো ময়দান পর্যবেক্ষণ করা হয়। এজন্য পুলিশের একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে।
এর পাশাপাশি পুলিশের মেডিকেল সার্ভিস ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্যোগে একটি মিডিয়া সেন্টার খোলা রাখা হয়।
শনিবার সকাল থেকেই ময়দানে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী পার হয়ে মুসল্লিদের ময়দানে প্রবেশ করতে হয়। প্রবেশ পথে বসানো হয়েছে আর্চওয়ে। তাছাড়া মৎস্য ভবন, প্রেসক্লাব এবং শিক্ষাভবন পর্যন্ত নিয়োজিত থাকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য র্যাব ও পুলিশ। জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতির নামাজ আদায়ের সময় তার নিরাপত্তায় ছিলেন তার নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট প্রেসিডেন্ট গার্ডের সদস্য এবং স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সেস (এসএফএফ)। নিরাপত্তার জন্য রাষ্ট্রপতির নামাজের বিশেষ জায়গাটি ঘিরে রাখা হয়।
এদিকে, সোয়াতের প্রধান ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) আশিকুর রহমানের নেতৃত্বে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তায় তাদের ৩০ সদস্যের একটি দল কাজ করেন।।
সোয়াত সদস্যরা জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের মূল গেটসহ ঈদগাহের আশে-পাশের এলাকায় অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রসহ স্ট্যান্ডবাই দায়িত্ব পালন করেন।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, মন্ত্রীপরিষদের সদস্য, রাষ্ট্রদূতেরাও নামাজ আদায় করেন।
নামাজ শেষে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা আল্লাহর নৈকট্য লাভে দেশ-জাতি ও পৃথিবীর সব মানুষের মঙ্গল কামনা করা হয়।
এর পর রাষ্ট্রপতি উপস্থিত সবার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন