যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক ভবন বোমা মেরে উড়িয়ে
দেওয়ার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া কাজী মোহাম্মদ
রেজওয়ানুল আহসান নাফিস (২১) বাংলাদেশের নাগরিক। তাই তাঁর নাগরিক অধিকারের
মধ্যে যতটা প্রাপ্য, ততটা সহায়তা দেবে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ
দূতাবাস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশ মিশনের কূটনীতিকেরা গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ও স্বরাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে নাফিসের বিষয়ে ‘কনস্যুলার একসেস’ চেয়েছেন। এই সুবিধা পেলে বাংলাদেশের একজন কূটনীতিক নাফিসের সঙ্গে একান্তে কথা বলার সুযোগ পাবেন। তখন নাফিস আইনি সহায়তা চাইলে তা দেওয়া হবে।
গতকালের বৈঠকে বাংলাদেশ মিশনের কূটনীতিকদের কাছে নাফিসের পাসপোর্টের কপি দেওয়া হয়। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে আনা প্রাথমিক অভিযোগপত্রের কপিও দেখানো হয়েছে। বৈঠকে ব্যক্তি নাফিসের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি যেন বিদ্বেষমূলক মনোভাব দেখানো না হয়, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সে অনুরোধ জানানো হয়।
ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক ভবন বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এফবিআই) গত বুধবার নাফিসকে গ্রেপ্তার করে। একই অভিযোগে সান ডিয়াগো থেকে দ্বিতীয় হোয়ার্ড উইলি কার্টার নামের অপর এক ব্যক্তিকে গত বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে জব্দ করা কম্পিউটারের ই-মেইল ঠিকানায় ‘ইয়াকিন’ নামের একটি ঠিকানা পাওয়া গেছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, নাফিসের সঙ্গে এই ঠিকানা ব্যবহার করে ই-মেইলে যোগাযোগ করতেন কার্টার। এই যোগসূত্র ধরে উইলি কার্টারের বিরুদ্ধে নিউইয়র্কের ফেডারেল ব্যাংক ভবনে হামলার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।
মার্কিন বিচার বিভাগ এক বিবৃতিতে জানায়, গণবিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবহারের চেষ্টা এবং আল-কায়েদাকে প্রয়োজনীয় উপকরণ-সহায়তা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে নাফিসকে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে। তিনি দোষী সাব্যস্ত হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ পেতে পারেন।
এফবিআইয়ের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, ৪৫০ কেজি ওজনের বোমা দিয়ে নিউইয়র্কে অবস্থিত ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন নাফিস। তবে নাফিসের কাছে থাকা বিস্ফোরক সক্রিয় অবস্থায় ছিল না। তা ছাড়া গোয়েন্দারা তাঁকে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছিলেন।
নাফিসের বিরুদ্ধে আনা ফৌজদারি অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি ২০১২ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন। একপর্যায়ে নাফিস স্বীকার করেন, আল-কায়েদার বিদেশি সদস্যদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ আছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার আরও লক্ষ্যবস্তু ছিল নিউইয়র্কের স্টক এক্সচেঞ্জসহ বেশ কিছু স্থাপনা ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।
বাংলাদেশ মিশনের কূটনীতিকেরা গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ও স্বরাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে নাফিসের বিষয়ে ‘কনস্যুলার একসেস’ চেয়েছেন। এই সুবিধা পেলে বাংলাদেশের একজন কূটনীতিক নাফিসের সঙ্গে একান্তে কথা বলার সুযোগ পাবেন। তখন নাফিস আইনি সহায়তা চাইলে তা দেওয়া হবে।
গতকালের বৈঠকে বাংলাদেশ মিশনের কূটনীতিকদের কাছে নাফিসের পাসপোর্টের কপি দেওয়া হয়। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে আনা প্রাথমিক অভিযোগপত্রের কপিও দেখানো হয়েছে। বৈঠকে ব্যক্তি নাফিসের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি যেন বিদ্বেষমূলক মনোভাব দেখানো না হয়, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সে অনুরোধ জানানো হয়।
ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক ভবন বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এফবিআই) গত বুধবার নাফিসকে গ্রেপ্তার করে। একই অভিযোগে সান ডিয়াগো থেকে দ্বিতীয় হোয়ার্ড উইলি কার্টার নামের অপর এক ব্যক্তিকে গত বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে জব্দ করা কম্পিউটারের ই-মেইল ঠিকানায় ‘ইয়াকিন’ নামের একটি ঠিকানা পাওয়া গেছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, নাফিসের সঙ্গে এই ঠিকানা ব্যবহার করে ই-মেইলে যোগাযোগ করতেন কার্টার। এই যোগসূত্র ধরে উইলি কার্টারের বিরুদ্ধে নিউইয়র্কের ফেডারেল ব্যাংক ভবনে হামলার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।
মার্কিন বিচার বিভাগ এক বিবৃতিতে জানায়, গণবিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবহারের চেষ্টা এবং আল-কায়েদাকে প্রয়োজনীয় উপকরণ-সহায়তা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে নাফিসকে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে। তিনি দোষী সাব্যস্ত হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ পেতে পারেন।
এফবিআইয়ের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, ৪৫০ কেজি ওজনের বোমা দিয়ে নিউইয়র্কে অবস্থিত ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন নাফিস। তবে নাফিসের কাছে থাকা বিস্ফোরক সক্রিয় অবস্থায় ছিল না। তা ছাড়া গোয়েন্দারা তাঁকে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছিলেন।
নাফিসের বিরুদ্ধে আনা ফৌজদারি অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি ২০১২ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন। একপর্যায়ে নাফিস স্বীকার করেন, আল-কায়েদার বিদেশি সদস্যদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ আছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার আরও লক্ষ্যবস্তু ছিল নিউইয়র্কের স্টক এক্সচেঞ্জসহ বেশ কিছু স্থাপনা ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন