মুদ্রা পাচারের অভিযোগে দায়ের করা দুটি মামলায় ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনসহ
২২ পরিচালকের ৫৩৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
দুদকের দায়ের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক জহুরুল হক এ আদেশ দেন।
সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম ও দুদকের উপ-পরিচালক মোজাহার আলী সরদার পৃথকভাবে মুদ্রা পাচারের দুটি মামলায় ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনসহ ২২ পরিচালকের ৫৩৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দসহ রেকর্ডপত্র অবরুদ্ধ করার আবেদন জানান। ওই দিন মূল আদালত বিডিআর’র মামলায় ব্যস্ত থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক আখতারুজ্জামান মঙ্গলবার এ ব্যাপারে শুনানির জন্য তারিখ ধার্য করেন।
দুদকের দায়ের করা আবেদনে বলা হয়, ২২ পরিচালকের ৫৩৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তিন হাজার তিনশ কোটি ৮৭ লাখ টাকা থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র ১৫ কোটি ২৪ টাকা। মামলার তদন্তের স্বার্থে ব্যাংক অ্যাকাউন্টসহ টাকা জব্দ করা প্রয়োজন।
ডেসটিনির ওই ২২ পরিচালকরা হলেন- ডেসটিনি ২০০০ এর সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল হারুন-অর-রশিদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রফিকুল আমীন, মো. হোসেন, মো. গোফরানুল হক, মো. সাইদ উর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, ডেসটিনির পরিচালক ইরফান আহমেদ সানি, মেজবাহ উদ্দিন স্বপন, সাজ্জাদ হোসেন, ফারাহ দিবা, জামশেদ আরা চৌধুরী, শেখ তৈয়বুর রহমান, মজিবুর রহমান, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, আজাদ রহমান, আকবর হোসেন সুমন, শিরিন আক্তার, রকিবুল ইসলাম সরকার, সুমন আলী খান, সাইদুর ইসলাম খান ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেনেন্ট কর্নেল দিদরুল আলম।
এর আগে ডেসটিনির বিরুদ্ধে মুদ্রা পাচারের দুটি মামলায় জামিন বাতিলের আবেদন মঞ্জুর করেছিলেন আদালত। যে কারণে ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ২২ আসামির জামিন বাতিল হয়ে যায়।
দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ আইনে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেশন (এমএলএম) ও ট্রি-প্লানটেশন প্রকল্পের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থ স্থানান্তরের ‘প্রমাণ’ পেয়ে দুটি মামলা দায়ের করেন।
সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাত করে বিদেশে পাচারের অভিযোগে গত ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় ডেসটিনির ২২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দুটি দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
ট্রি-প্ল্যানটেশন প্রকল্প থেকে দুই হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা এবং এমএলএম অ্যাকাউন্ট থেকে এক হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা সরানোর অভিযোগ আনা হয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে।
আসামিপক্ষে শুনানি করেন বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজিব উল্লাহ হিরু এবং এহসানুল হক সামাজী। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন মোশারফ হোসেন কাজল।
দুদকের দায়ের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক জহুরুল হক এ আদেশ দেন।
সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম ও দুদকের উপ-পরিচালক মোজাহার আলী সরদার পৃথকভাবে মুদ্রা পাচারের দুটি মামলায় ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনসহ ২২ পরিচালকের ৫৩৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দসহ রেকর্ডপত্র অবরুদ্ধ করার আবেদন জানান। ওই দিন মূল আদালত বিডিআর’র মামলায় ব্যস্ত থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক আখতারুজ্জামান মঙ্গলবার এ ব্যাপারে শুনানির জন্য তারিখ ধার্য করেন।
দুদকের দায়ের করা আবেদনে বলা হয়, ২২ পরিচালকের ৫৩৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তিন হাজার তিনশ কোটি ৮৭ লাখ টাকা থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র ১৫ কোটি ২৪ টাকা। মামলার তদন্তের স্বার্থে ব্যাংক অ্যাকাউন্টসহ টাকা জব্দ করা প্রয়োজন।
ডেসটিনির ওই ২২ পরিচালকরা হলেন- ডেসটিনি ২০০০ এর সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল হারুন-অর-রশিদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রফিকুল আমীন, মো. হোসেন, মো. গোফরানুল হক, মো. সাইদ উর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, ডেসটিনির পরিচালক ইরফান আহমেদ সানি, মেজবাহ উদ্দিন স্বপন, সাজ্জাদ হোসেন, ফারাহ দিবা, জামশেদ আরা চৌধুরী, শেখ তৈয়বুর রহমান, মজিবুর রহমান, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, আজাদ রহমান, আকবর হোসেন সুমন, শিরিন আক্তার, রকিবুল ইসলাম সরকার, সুমন আলী খান, সাইদুর ইসলাম খান ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেনেন্ট কর্নেল দিদরুল আলম।
এর আগে ডেসটিনির বিরুদ্ধে মুদ্রা পাচারের দুটি মামলায় জামিন বাতিলের আবেদন মঞ্জুর করেছিলেন আদালত। যে কারণে ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ২২ আসামির জামিন বাতিল হয়ে যায়।
দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ আইনে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেশন (এমএলএম) ও ট্রি-প্লানটেশন প্রকল্পের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থ স্থানান্তরের ‘প্রমাণ’ পেয়ে দুটি মামলা দায়ের করেন।
সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাত করে বিদেশে পাচারের অভিযোগে গত ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় ডেসটিনির ২২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দুটি দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
ট্রি-প্ল্যানটেশন প্রকল্প থেকে দুই হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা এবং এমএলএম অ্যাকাউন্ট থেকে এক হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা সরানোর অভিযোগ আনা হয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে।
আসামিপক্ষে শুনানি করেন বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজিব উল্লাহ হিরু এবং এহসানুল হক সামাজী। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন মোশারফ হোসেন কাজল।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন