সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক আমীর-উল ইসলাম বলেছেন, সীমান্তের
ওপারের লোকজন বৌদ্ধমন্দিরে হামলায় জড়িত। ডাকাত, লুটেরা ও বহিরাগত ব্যক্তিরা
মিলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছে, যাতে বহির্বিশ্বে দেশের
ভাবমূর্তি ক্ষণ্ন হয় এবং সরকার ও রাষ্ট্র বিপর্যস্ত হয়।
আজ শনিবার সকালে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে আমীর-উল ইসলাম এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, মানবতাবিরোধী বর্বর এই অপরাধকর্মে স্থানীয় অপরাজনীতির গন্ধ পাওয়া গেছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্র্রীতি অটুট রাখার স্বার্থে এর বিরুদ্ধে দেশের ১৬ কোটি মানুষের সজাগ থাকা প্রয়োজন।
সীমান্তের ওপারের লোকজন বলতে ‘মিয়ানমারের রোহিঙ্গা কি না’, জানতে চাইলে আমীর-উল ইসলাম বলেন, ‘এটা সাংবাদিকেরা অনুমান করে লিখতে পারেন। আমি স্পষ্ট করে বলছি না।’
আমীর-উল ইসলামের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের নেতারা গতকাল শুক্রবার সারা দিন রামু, উখিয়া ও টেকনাফের পুড়ে যাওয়া বৌদ্ধমন্দির, বৌদ্ধপল্লি ও ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের বসতবাড়ি পরিদর্শন করেন। তাঁরা জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা, আইনজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
আমীর-উল ইসলাম বলেন, ‘বৌদ্ধবিহার ও পল্লিতে যে হামলা হয়েছে, এর ভয়াবহতা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এ হামলা দেশের সংবিধানের ওপর আঘাত। মাথায় পাগড়ি ও হাফপ্যান্ট পরা বর্ডারের ওপারের লোকজন এ হামলায় অংশ নিয়েছে। গানপাউডার ছিটিয়ে, পেট্রল ঢেলে মন্দির পোড়ানো হয়েছে। উত্তর মিঠাছড়িতে গৌতম বুদ্ধের ১০০ ফুট দীর্ঘ মূর্তিটি ধ্বংস করতে গ্রেনেড ছোড়া হয়েছে। সেখানে সাতটি গ্রেনেড পাওয়া গেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ফেসবুকের ছবি একটি আলামত। একে উপলক্ষ করা হয়েছে। পুরো পরিকল্পনা কার্যকর করতে “ফেসবুক নাটক” সাজানো হয়েছে। বহুদিন থেকে এ পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর পেছনে আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর হাত থাকতে পারে।’
আমীর-উল ইসলাম বলেন, কক্সবাজার জায়গাটা খুব স্পর্শকাতর। মানবদেহের তলপেটের মতো। এটি অরক্ষিত রাখা যাবে না। তাই প্রশাসনকে ঢেলে সাজাতে হবে, যাতে মন্দিরে হামলা ও আগ্রাসন থেকে কক্সবাজারকে সুরক্ষিত রাখা যায়।
আমীর-উল ইসলাম এই হামলায় লোক আনা-নেওয়ায় ব্যবহূত বাস-ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রোবাসের মালিকদের খুঁজে বের করার তাগিদ দেন। তিনি হামলায় অর্থ জোগানের অনুসন্ধান দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘কয়েক মাস আগে মিয়ানমারে জাতিগত দাঙ্গা হয়েছে। এরপর আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ওপর চাপ দেওয়া হচ্ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ ভূমিকায় সেই চাপ সফল হয়নি। এখন ওই চাপ রামুতে এসে পড়ছে। এই চাপ সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ করতে হবে। না-হলে তা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হানবে। বৌদ্ধমন্দিরে হামলা ওই চাপের অংশ হতে পারে।’
পুড়ে যাওয়া মন্দিরের আলামত সংগ্রহ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন আমীর-উল ইসলাম। তিনি সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার দাবি জানান, যেন মিয়ানমারের সমস্যা ও বোঝা এ দেশে অনুপ্রবেশ করতে না পারে।
আজ শনিবার সকালে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে আমীর-উল ইসলাম এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, মানবতাবিরোধী বর্বর এই অপরাধকর্মে স্থানীয় অপরাজনীতির গন্ধ পাওয়া গেছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্র্রীতি অটুট রাখার স্বার্থে এর বিরুদ্ধে দেশের ১৬ কোটি মানুষের সজাগ থাকা প্রয়োজন।
সীমান্তের ওপারের লোকজন বলতে ‘মিয়ানমারের রোহিঙ্গা কি না’, জানতে চাইলে আমীর-উল ইসলাম বলেন, ‘এটা সাংবাদিকেরা অনুমান করে লিখতে পারেন। আমি স্পষ্ট করে বলছি না।’
আমীর-উল ইসলামের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের নেতারা গতকাল শুক্রবার সারা দিন রামু, উখিয়া ও টেকনাফের পুড়ে যাওয়া বৌদ্ধমন্দির, বৌদ্ধপল্লি ও ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের বসতবাড়ি পরিদর্শন করেন। তাঁরা জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা, আইনজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
আমীর-উল ইসলাম বলেন, ‘বৌদ্ধবিহার ও পল্লিতে যে হামলা হয়েছে, এর ভয়াবহতা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এ হামলা দেশের সংবিধানের ওপর আঘাত। মাথায় পাগড়ি ও হাফপ্যান্ট পরা বর্ডারের ওপারের লোকজন এ হামলায় অংশ নিয়েছে। গানপাউডার ছিটিয়ে, পেট্রল ঢেলে মন্দির পোড়ানো হয়েছে। উত্তর মিঠাছড়িতে গৌতম বুদ্ধের ১০০ ফুট দীর্ঘ মূর্তিটি ধ্বংস করতে গ্রেনেড ছোড়া হয়েছে। সেখানে সাতটি গ্রেনেড পাওয়া গেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ফেসবুকের ছবি একটি আলামত। একে উপলক্ষ করা হয়েছে। পুরো পরিকল্পনা কার্যকর করতে “ফেসবুক নাটক” সাজানো হয়েছে। বহুদিন থেকে এ পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর পেছনে আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর হাত থাকতে পারে।’
আমীর-উল ইসলাম বলেন, কক্সবাজার জায়গাটা খুব স্পর্শকাতর। মানবদেহের তলপেটের মতো। এটি অরক্ষিত রাখা যাবে না। তাই প্রশাসনকে ঢেলে সাজাতে হবে, যাতে মন্দিরে হামলা ও আগ্রাসন থেকে কক্সবাজারকে সুরক্ষিত রাখা যায়।
আমীর-উল ইসলাম এই হামলায় লোক আনা-নেওয়ায় ব্যবহূত বাস-ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রোবাসের মালিকদের খুঁজে বের করার তাগিদ দেন। তিনি হামলায় অর্থ জোগানের অনুসন্ধান দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘কয়েক মাস আগে মিয়ানমারে জাতিগত দাঙ্গা হয়েছে। এরপর আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ওপর চাপ দেওয়া হচ্ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ ভূমিকায় সেই চাপ সফল হয়নি। এখন ওই চাপ রামুতে এসে পড়ছে। এই চাপ সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ করতে হবে। না-হলে তা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হানবে। বৌদ্ধমন্দিরে হামলা ওই চাপের অংশ হতে পারে।’
পুড়ে যাওয়া মন্দিরের আলামত সংগ্রহ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন আমীর-উল ইসলাম। তিনি সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার দাবি জানান, যেন মিয়ানমারের সমস্যা ও বোঝা এ দেশে অনুপ্রবেশ করতে না পারে।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন