মহাজোট সরকারের শেষবেলায় আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের আরও সাত নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা তিনটায় বঙ্গভবনে তাদের শপথ পাড়ানো হবে।
সূত্র জানায়, মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সাংসদ তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মহীউদ্দীন খান আলমগীর, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, জাতীয় সংসদের বর্তমান হুইপ ও আওয়ামী লীগের নেতা মুজিবুল হক। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন রাজশাহী আওয়ামী লীগের সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরী ও ঝিনাইদহ আওয়ামী লীগের সাংসদ আবদুল হাই।
এই সাত নেতাকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা টেলিফোনে শপথ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে কাকে কোন দপ্তর দেওয়া হবে, তা গত রাত পর্যন্ত জানানো হয়নি। আপাতত কোনো মন্ত্রী বাদ পড়ছেন না বলেও জানা গেছে। তবে ভবিষ্যতে কেউ বাদ যেতে পারেন বলে একটি অসমর্থিত সূত্র জানিয়েছে।
নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে গতকাল শপথ নেওয়ার কথা জানালেও তাঁদের সবাই শপথ নেবেন কি না, তা নিশ্চিত করেননি।
২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি বর্তমান মহাজোট সরকারের যে মন্ত্রিসভা শপথ নেয়, তাতে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা স্থান পাননি। সাংবিধানিকভাবে বর্তমান মহাজোট সরকারের মেয়াদ আছে আগামী বছরের ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত।
মন্ত্রিসভায় নতুন অন্তর্ভুক্তি সম্পর্কে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আকবর আলি খান প্রথম আলোকে বলেন, সব দেশের সরকারের ক্ষেত্রে খেয়াল করলে দেখা যাবে, ‘শেষ সময়ে মন্ত্রিসভা থেকে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে নতুন লোক নিয়োগ করে জনগণের মনে আশা জাগানোর চেষ্টা করে। এখন দেখা যাক, নতুনেরা কতটুকু করতে পারেন।’ তিনি বলেন, মন্ত্রিসভা এত দিন রদবদল না করা ছিল অস্বাভাবিক। এখন নির্বাচন এগিয়ে আসছে। তাই সরকার মন্ত্রিসভায় রদবদল করে দুর্বলতা ঢাকার চেষ্টা করছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা সরকারের গত প্রায় চার বছরে নানা অব্যবস্থাপনা ও অদক্ষতার কথা বলে আসছিলেন। অনেকে বর্তমান মন্ত্রিসভাকে অনভিজ্ঞ বলেও মন্তব্য করেন। বিশেষ করে, কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতাকে মন্ত্রী না করায় আওয়ামী লীগ ও এর শরিক দলগুলোর ভেতরেই নানা সমালোচনা ছিল। এ ছাড়া ১৪ দলের শরিকদের মধ্যে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি নিয়ে অসন্তোষ ছিল।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের মতে, গত চার বছরের মধ্যে মহাজোট সরকার এখন সবচেয়ে খারাপ সময় পার করছে। বিশেষ করে, হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় সব মহল থেকেই সরকারের সমালোচনা হচ্ছে। এ ছাড়া দুর্নীতির অভিযোগে পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ঋণচুক্তি বাতিল হওয়ায় সরকার প্রচণ্ড সমালোচনার মুখে পড়ে। বিশ্বব্যাংকের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির ঘটনাও সরকারের বড় দুর্বলতা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্যই শেষবেলায় এসে সাতজনকে মন্ত্রিসভায় নেওয়া হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
মন্ত্রিসভার বর্তমান সদস্যসংখ্যা ৪৬। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সাতজন উপদেষ্টা রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ছয়জন মন্ত্রীর পদমর্যাদা ও একজন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদার। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভা শপথ নেয়। এরপর একই বছরের ২২ জানুয়ারি ও ২৫ জুলাই দুই দফা মন্ত্রিসভা সম্প্রসারিত হয়। সর্বশেষ গত বছরের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ও ওবায়দুল কাদের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।
সূত্র জানায়, মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সাংসদ তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মহীউদ্দীন খান আলমগীর, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, জাতীয় সংসদের বর্তমান হুইপ ও আওয়ামী লীগের নেতা মুজিবুল হক। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন রাজশাহী আওয়ামী লীগের সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরী ও ঝিনাইদহ আওয়ামী লীগের সাংসদ আবদুল হাই।
এই সাত নেতাকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা টেলিফোনে শপথ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে কাকে কোন দপ্তর দেওয়া হবে, তা গত রাত পর্যন্ত জানানো হয়নি। আপাতত কোনো মন্ত্রী বাদ পড়ছেন না বলেও জানা গেছে। তবে ভবিষ্যতে কেউ বাদ যেতে পারেন বলে একটি অসমর্থিত সূত্র জানিয়েছে।
নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে গতকাল শপথ নেওয়ার কথা জানালেও তাঁদের সবাই শপথ নেবেন কি না, তা নিশ্চিত করেননি।
২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি বর্তমান মহাজোট সরকারের যে মন্ত্রিসভা শপথ নেয়, তাতে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা স্থান পাননি। সাংবিধানিকভাবে বর্তমান মহাজোট সরকারের মেয়াদ আছে আগামী বছরের ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত।
মন্ত্রিসভায় নতুন অন্তর্ভুক্তি সম্পর্কে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আকবর আলি খান প্রথম আলোকে বলেন, সব দেশের সরকারের ক্ষেত্রে খেয়াল করলে দেখা যাবে, ‘শেষ সময়ে মন্ত্রিসভা থেকে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে নতুন লোক নিয়োগ করে জনগণের মনে আশা জাগানোর চেষ্টা করে। এখন দেখা যাক, নতুনেরা কতটুকু করতে পারেন।’ তিনি বলেন, মন্ত্রিসভা এত দিন রদবদল না করা ছিল অস্বাভাবিক। এখন নির্বাচন এগিয়ে আসছে। তাই সরকার মন্ত্রিসভায় রদবদল করে দুর্বলতা ঢাকার চেষ্টা করছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা সরকারের গত প্রায় চার বছরে নানা অব্যবস্থাপনা ও অদক্ষতার কথা বলে আসছিলেন। অনেকে বর্তমান মন্ত্রিসভাকে অনভিজ্ঞ বলেও মন্তব্য করেন। বিশেষ করে, কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতাকে মন্ত্রী না করায় আওয়ামী লীগ ও এর শরিক দলগুলোর ভেতরেই নানা সমালোচনা ছিল। এ ছাড়া ১৪ দলের শরিকদের মধ্যে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি নিয়ে অসন্তোষ ছিল।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের মতে, গত চার বছরের মধ্যে মহাজোট সরকার এখন সবচেয়ে খারাপ সময় পার করছে। বিশেষ করে, হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় সব মহল থেকেই সরকারের সমালোচনা হচ্ছে। এ ছাড়া দুর্নীতির অভিযোগে পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ঋণচুক্তি বাতিল হওয়ায় সরকার প্রচণ্ড সমালোচনার মুখে পড়ে। বিশ্বব্যাংকের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির ঘটনাও সরকারের বড় দুর্বলতা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্যই শেষবেলায় এসে সাতজনকে মন্ত্রিসভায় নেওয়া হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
মন্ত্রিসভার বর্তমান সদস্যসংখ্যা ৪৬। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সাতজন উপদেষ্টা রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ছয়জন মন্ত্রীর পদমর্যাদা ও একজন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদার। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভা শপথ নেয়। এরপর একই বছরের ২২ জানুয়ারি ও ২৫ জুলাই দুই দফা মন্ত্রিসভা সম্প্রসারিত হয়। সর্বশেষ গত বছরের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ও ওবায়দুল কাদের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন